CCTV Footage: বিলাসী চোর! লক্ষ লক্ষ টাকার মদ চুরি করেই হয়নি, মাঝরাতে কিসমিসের বয়ামও চুরি করে বসাল আসর
স্টেশন রোডের দুটি মদের দোকান, একটি স্টেশনারি দোকান ও একটি ফলের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। স্টেশন রোডের মদের দোকানের মালিক কিশোর সাধুখাঁ জানান, রাত ২টো নাগাদ দোকানের পিছনের দরজা ভেঙে দুষ্কৃতীরা দোকানের ক্যাশ বাক্সে রাখা প্রায় লক্ষাধিক টাকা ও দুটি বোতল নিয়ে চম্পট দিয়েছে।

মেমারি: এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে ওই এলাকায়। একাধিক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, তাঁদের দোকানে বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে, নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন তাঁরা। তবে এবার শুধু চুরিই নয়, দামি মদ চুরি করে রীতিমতো আসর বসাল অভিযুক্তরা। একাধিক দোকান ভেঙে লক্ষাধিক টাকার চুরির পর পুকুর পারে বসে চলল মদ্যপান!
বর্ধমানের মেমারির ঘটনা। বুধবার গভীর রাতে মেমারি স্টেশন রোডে পর একাধিক দোকানে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। সামনে এসেছে সেই চুরির সেই সিসিটিভি ফুটেজ। মদের দোকান থেকে চুরি করা প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডেড স্কচ, হুইস্কি নিয়ে পুকুর পারে বসে মদ্যপান করার জন্য চোরেরা চুরি করে কিসমিস এবং খেজুরও! এমনটাই জানিয়েছেন ফল দোকানের মালিক। পুকুরপাড়ে কিসমিস ছড়িয়ে থাকতেও দেখেছেন তিনি।
স্টেশন রোডের দুটি মদের দোকান, একটি স্টেশনারি দোকান ও একটি ফলের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। স্টেশন রোডের মদের দোকানের মালিক কিশোর সাধুখাঁ জানান, রাত ২টো নাগাদ দোকানের পিছনের দরজা ভেঙে দুষ্কৃতীরা দোকানের ক্যাশ বাক্সে রাখা প্রায় লক্ষাধিক টাকা ও দুটি বোতল নিয়ে চম্পট দিয়েছে।
মদের দোকানের ম্যানেজার সৌম্যনীল বসু জানান, তাঁর মদের দোকানের তালা ভেঙে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার বেশ কয়েকটি মদের বোতল নিয়ে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। মদের দোকানের পাশ্ববর্তী স্টেশনারী দোকানের মালিক সমীর মন্ডল জানান, তাঁর দোকানের শাটার ভেঙে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মতো নগদ সহ দোকানের আরও কিছু সামগ্রী নিয়ে গিয়েছে অভিযুক্তরা।
অন্যদিকে, স্টেশন রোডেরই একটি ফলের দোকানের মালিক শম্ভু সাউ জানান,তাঁর দোকান থেকে একটি কিসমসের ও একটি খেঁজুরের জার নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সকালে স্থানীয় পুকুর পার থেকে কিসমিসের জারটি তিনি পেয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, একাধিক দোকানে চুরির পর মদ্যপান করার জন্যই চোরের দল ফলের দোকান থেকে কিসমিস ও খেঁজুরের জার দুটি নিয়ে যায়। এদিকে একেবারে শহরের বুকে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক দোকানে চুরির ঘটনায় রাতের শহরে পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যবসায়ীরা। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সামগ্রিক ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মেমারি থানার পুলিশ।
