TMC: দোষী সাব্যস্ত হয়েই হাসপাতালে ৪ TMC নেতা-কর্মী, আজ সাজা ঘোষণা করল না আদালত
TMC: ২০১৭ সালে খুনের চেষ্টা, মারধর-সহ একাধিক ধারায় মামলা হয় কাকলি তা গুপ্ত-সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে। সোমবার বর্ধমানের ফাস্ট ট্রাক সেকেন্ড আদালতের বিচারক অরবিন্দ মিশ্র ২ জনকে খালাস করে দিলেও কাকলি তা গুপ্ত-সহ ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

বর্ধমান: আদালতের রায়ে হেফাজতে নেওয়া বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান-সহ বাকি ১৩ জনের রায় ঘোষণা স্থগিত রাখলেন ফার্স্ট ট্রাকে সেকেন্ড কোর্টের বিচারক অরবিন্দ মিশ্র। বিচারক বর্ধমান জেলের সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন চারজন অসুস্থ সহ সাজাপ্রাপ্ত ১৩ জনকে হয় সশরীরে আদালতে উপস্থিত করতে হবে। অথবা ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে কথা হবে।
প্রসঙ্গত, , আদালত দোষী সাব্যস্ত করার পর সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন কাকলি গুপ্তা তা। হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। অসুস্থ হয়ে পড়েন মানস ভট্টাচার্য, শেখ জামাল ও কার্তিক বাগ। তাঁদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার সরকারি পক্ষের আইনজীবী হরিদাস মুখোপাধ্যায় ও অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস জানান, অভিযুক্ত ১৩ জনের মধ্যে চারজন শারীরিক অসুস্থতার জন্য আদালতে উপস্থিত হননি। আদালত তাঁদের সশরীরে বা ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। হাসপাতালের সঙ্গে কথা বলে সংশোধনাগারের সুপার এই ব্যবস্থা নেবেন। মঙ্গলবার রায়দানের দিন ছিল।
এদিকে অনাময় সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে বিডিএ চেয়ারপার্সন তথা বর্ধমান-১ ব্লক সভাপতি কাকলি গুপ্ত তা-এর সঙ্গে সকালে দেখা করতে যান মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, যুব সভাপতি রাসবিহারি হালদার ও প্রাক্তন বিধায়ক উজ্জ্বল প্রামাণিক ।দুপুরে চারজনকে বাদ দিয়ে বাকি ন’জনকে আদালতে পেশ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে খুনের চেষ্টা, মারধর-সহ একাধিক ধারায় মামলা হয় কাকলি তা গুপ্ত-সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে। সোমবার বর্ধমানের ফাস্ট ট্রাক সেকেন্ড আদালতের বিচারক অরবিন্দ মিশ্র ২ জনকে খালাস করে দিলেও কাকলি তা গুপ্ত-সহ ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার রায় দেওয়া হবে বলে জানান বিচারক। সবাই উপস্থিত না থাকায় সেই চূড়ান্ত রায়দান স্থগিত হয়।





