Galsi voter list controversy: তালিকা সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত নেতাদের প্রবেশ নিষেধ, গ্রামে সাঁটলো পোস্টার
Purba Bardhaman protest news: ই ব্যানার কে বা কারা লাগিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দাই এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। যদিও স্থানীয় বাসিন্দা কাজি বদরে আলম জানান, গ্রামেরই কেউ এই ব্যানার লাগিয়ে থাকতে পারে। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর দুই ছেলের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের রোহিঙ্গা বলা হচ্ছে বলে তিনি আতঙ্কে রয়েছেন।

বর্ধমান: ভোটার তালিকা সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত গ্রামে রাজনৈতিক নেতাদের প্রবেশ নিষেধ। গ্রামে পোস্টার লাগিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ। পূর্ব বর্ধমানের গলসির সিংপুরের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ৪২ জনের নাম বাদ পড়ায় ক্ষোভ, ব্যানার ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে কে লাগাল পোস্টার, এই বিষয়ে গ্রামবাসীরা ‘স্পিক টু নট’। ব্যানারে সতর্কীকরণ ও গণ-বিজ্ঞপ্তি লিখে স্পষ্ট জানানো হয়েছে,আগে ভোটার তালিকা সংশোধন, তারপর গ্রামে প্রবেশ।
ব্যানারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যতদিন না ভোটার তালিকায় নাম ও তথ্যের সঠিক সংশোধন হচ্ছে, ততদিন কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা বা কর্মীদের গ্রামে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এতে দাবি করা হয়েছে, এটি সুষ্ঠ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা এবং নাগরিক অধিকার আদায়ের লড়াই।
তবে এই ব্যানার কে বা কারা লাগিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দাই এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। যদিও স্থানীয় বাসিন্দা কাজি বদরে আলম জানান, গ্রামেরই কেউ এই ব্যানার লাগিয়ে থাকতে পারে। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর দুই ছেলের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের রোহিঙ্গা বলা হচ্ছে বলে তিনি আতঙ্কে রয়েছেন।
জানা গিয়েছে, গলসি ১ নম্বর ব্লকের উচ্চগ্রাম গ্রামপঞ্চায়েতের এই গ্রামে মোট ভোটার সংখ্যা ৫০১। এর মধ্যে ১০২ জনের নাম যাচাইয়ের জন্য বিবেচনায় ছিল। শুনানির পর বর্তমানে ৪২ জনের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দেবু টুডু অভিযোগ করেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক ব্যানার্জী বারবার এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন বিজেপির নির্দেশে কাজ করছে, যার ফলেই বহু মানুষের নাম বাদ গেছে এবং গ্রামবাসীদের ক্ষোভ এই ঘটনার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।”
অন্যদিকে, গলসির বিজেপি প্রার্থী রাজু পাত্র বলেন, “এটি সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের বিষয়। তাঁর মতে, এসআইআর প্রক্রিয়া গোটা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে চলছে এবং অন্য কোথাও এ ধরনের অশান্তি দেখা যায়নি।”
