AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Durga Puja Controversy: ‘তখন আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল…’ এবার আর দুর্গা পূজার জন্য মাঠ দেবেন না প্রধান শিক্ষক, বিতর্ক এগরায়

Durga Puja Controversy: একদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে স্কুলের খেলার মাঠ কোনও পুজো বা মেলার জন্য দেওয়া হবে না। অন্যদিকে পুজো কমিটির পরিকল্পনা ছিল, আগের বছরের মতো ঐতিহ্য বজায় রেখে একই মাঠে দুর্গোৎসবের আয়োজন করা। ফলে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে তৈরি হয়েছে টানাপোড়েন।

Durga Puja Controversy: 'তখন আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল...' এবার আর দুর্গা পূজার জন্য মাঠ দেবেন না প্রধান শিক্ষক, বিতর্ক এগরায়
স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় পথ অবরোধImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 20, 2026 | 11:18 AM
Share

এগরা: দুর্গাপুজোর মাঠ নিয়ে বিতর্ক পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায়। প্রতি বছরের মতো এবারও বালিঘাই বিবেকানন্দ ব্যায়ামাগার ক্লাবের উদ্যোগে দুর্গাপুজোর তোড়জোড় চলছে। এবার ৫১তম দুর্গোৎসব হওয়ার কথা। কিন্তু পুজোর আয়োজনের স্থান নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা। আগের বছরের মতো এবারও বালিঘাই হাইস্কুলের খেলার মাঠে পুজোর আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পুজো কমিটি। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি না মেলায় কার্যত অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে পুজোর আয়োজন।

পুজো কমিটির সদস্যরা ও স্থানীয় গ্রামবাসীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগের বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও বালিঘাই হাইস্কুলের খেলার মাঠেই দুর্গোৎসব ও মেলার আয়োজন করা হবে। সেই উদ্দেশ্যেই স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে মাঠ ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়। কিন্তু সেই অনুমতি দিতে রাজি হননি বালিঘাই হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রীতম প্রসাদ সিনহা।

প্রধান শিক্ষক প্রীতম প্রসাদ সিনহা বলেন, “স্কুলের খেলার মাঠ মূলত ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলা ও স্কুলের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহারের জন্য। সেখানে দুর্গাপুজোর আয়োজন হলে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠ ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। ফলে ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এই মাঠে খেলাধুলা করে। মাঠে পুজো হলে বেশ কিছুদিন খেলাধুলা বন্ধ হয়ে যাবে।”

গত বছর ওই পুজো কমিটিকে মাঠে পুজো করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তারা প্রায় তিন-চার মাস ধরে মাঠটি ব্লক করে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ প্রধান শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, “ওরা পুজোর নামে অগস্ট মাস থেকে মাঠ নিয়ে নেয়। বাচ্চারা খেলতে পারল না। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল তখন। চার মাস প্যান্ডেল রেখে দিয়েছিল। সবাই আমার উপর রাগ করেছিল।” ১০০ বছরে পুরনো স্কুলে তাই আর পুজো করতে দিতে চাইছেন না তিনি।

প্রধান শিক্ষকের এই সিদ্ধান্তের পরই বালিঘাইতে দুর্গাপুজোর আয়োজন নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। ৫১ বছরের পুজো ঘিরে এলাকার মানুষের আবেগ ও উত্তেজনা তুঙ্গে।

একদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে স্কুলের খেলার মাঠ কোনও পুজো বা মেলার জন্য দেওয়া হবে না। অন্যদিকে পুজো কমিটির পরিকল্পনা ছিল, আগের বছরের মতো ঐতিহ্য বজায় রেখে একই মাঠে দুর্গোৎসবের আয়োজন করা। ফলে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে তৈরি হয়েছে টানাপোড়েন। রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান এলাকার বাসিন্দারা। এগরার বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “পুজো করতে দেওয়া না দেওয়ার অধিকার স্কুল কর্তৃপক্ষের। কী হবে, সেটা পরবর্তীতে বলব।”

Follow Us