EMID: বাড়ির অমতে বিয়ে করেছিল, ৬ মাসের মধ্যেই উদ্ধার তরুণীর ঝুলন্ত দেহ
EMID: বিষয়টি জানতে পারে সিয়ার মামা ও দিদা। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পেয়ে তারপরই এই পথে এগনোর পরামর্শ দেন তাঁরা। সিয়ারা দুই বোন, সিয়াই বড়। বাড়ির অমতে গত সেপ্টেম্বর মাসে পালিয়ে বিয়ে করেন সিয়া ও সৌরভ। কলকাতা থেকে এসে ওঠে কাঁথির দাউদপুরে।

পূর্ব মেদিনীপুর: শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে কাঁথি ১ব্লকের দাউনপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সিয়া সাহা (২২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহের মিরদাদপুর থেকে উচ্চ শিক্ষার জন্য কলকাতার দমদম এলাকায় এসেছিলেন সিয়া। সিয়ার বাবা রণজিৎ সাহা পেশায় গাড়িচালক। কলেজের প্রথম বর্ষ পার করে দ্বিতীয় বর্ষের শুরুতেই সিয়ার এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়। সৌরভ নামে ওই যুবক দমদমেই একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। সৌরভ কাঁথি ১ব্লকের দাউনপুরের বাসিন্দা। ফোনে দুজনের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ কথা হত।
বিষয়টি জানতে পারে সিয়ার মামা ও দিদা। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পেয়ে তারপরই এই পথে এগনোর পরামর্শ দেন তাঁরা। সিয়ারা দুই বোন, সিয়াই বড়। বাড়ির অমতে গত সেপ্টেম্বর মাসে পালিয়ে বিয়ে করেন সিয়া ও সৌরভ। কলকাতা থেকে এসে ওঠে কাঁথির দাউদপুরে। কিছুদিন যেতে না যেতেই মোহ ভঙ্গ হয়। পরিবারের দাবি, লুকিয়ে লুকিয়ে ফোন করে মা কে জানতো যে শ্বশুর বাড়ির পরিস্থিতি। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর ওপর অত্যাচার চালাত বলে অভিযোগ।
শনিবার থেকে সিয়ার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না তাঁর বোন-মা। তখন সিয়ার স্বামী সৌরভকে ফোন করেন তাঁরা। পরিবারের দাবি, সৌরভ তখন তাঁদের জানান, সিয়া গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে রয়েছেন বলে জানান তাঁরা। এরপর পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে মেয়ের দেহ দেখতে পান। অভিযোগ, দেহ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। দেহটিকে ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।





