Nandigram: রথের রশিতে টান দিতেই ঝটকা, কী হল নন্দীগ্রামে?
Nandigram Rath Yatra Electric Shock: আহতদের পাশে তাঁরা রয়েছেন জানিয়ে নন্দীগ্রাম ৩ মণ্ডল সভাপতি বটকৃষ্ণ দাস বলেন, "১১ হাজার ভোল্টের লাইন ছিল। লাইনে অটো-কাট ছিল বলে অনেক বড় দুর্ঘটনা থেকে আমরা বেঁচে গিয়েছি। আহত ৫ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ১০ জনের চিকিৎসা চলছে। তাঁদের চিকিৎসার সবরকম প্রয়োজনে আমরা রয়েছি।"

নন্দীগ্রাম: রথের রশিতে টান দিতে মানুষের ভিড়। রাস্তায় কার্যত তিল ধারণের জায়গা নেই। রথের সামনে যেমন রশি ধরে দাঁড়িয়ে বহু মানুষ। রথের পিছনেও আছেন অনেকে। রথ টানা সবে শুরু হয়েছে। আচমকা বিদ্যুতের শক। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলেন কমপক্ষে ১৫ জন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের তেখালি বাজারে। পাঁচজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ১০ জনের চিকিৎসা চলছে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকের তেখালি বাজারে রথযাত্রার উপলক্ষ্যে ভক্তদের যথেষ্ট ভিড় ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, রথ টানার সময় উপরে থাকা ইলেকট্রিকের তারে রথের চূড়া লেগে যায়। তাতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ১৫ জন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান নন্দীগ্রাম ৩ মণ্ডল সভাপতি বটকৃষ্ণ দাস। এদিন নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, আহতদের কারও কাঁধে চোট লেগেছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কারও হাতের চামড়া উঠে গিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহত ব্যক্তিদের শরীরে আঘাত রয়েছে। সুস্থ হতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগবে।
গতকালের দুর্ঘটনা নিয়ে তেখালি বাজার কমিটির সম্পাদক সুরজিৎ মাল দাস বলেন, “প্রতি বছরই এখানে রথযাত্রায় প্রচুর মানুষের ভিড় হয়। এ বছরও ভিড় হয়েছিল। রথ যে রাস্তায় যায়, সেখানে বিদ্যুতের তার এত নিচুতে ঝুলে থাকত না। এবার কোনও কারণে তার ঝুলে ছিল। রথ টানতেই বিদ্যুতের তারে রথের চূড়ো লেগে দুর্ঘটনা ঘটে।”
আহতদের পাশে তাঁরা রয়েছেন জানিয়ে নন্দীগ্রাম ৩ মণ্ডল সভাপতি বটকৃষ্ণ দাস বলেন, “১১ হাজার ভোল্টের লাইন ছিল। লাইনে অটো-কাট ছিল বলে অনেক বড় দুর্ঘটনা থেকে আমরা বেঁচে গিয়েছি। আহত ৫ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ১০ জনের চিকিৎসা চলছে। তাঁদের চিকিৎসার সবরকম প্রয়োজনে আমরা রয়েছি।”
