Chandranath Rath: প্রাক্তন বায়ুসেনাকর্মী, ৮ বছর ধরে শুভেন্দুর সব সামলাতেন, কে এই চন্দ্রনাথ রথ
বুধবার রাতে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ যখন বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন সেই গাড়ি থামিয়ে বাইক থেকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। অর্জুন সিং, শঙ্কদেব পণ্ডার মতো বিজেপি নেতারা দাবি করেছেন, মৃত্যু নিশ্চিত করতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয়েছে চন্দ্রনাথকে।

নন্দীগ্রাম: বিগত কয়েক বছরে যাঁরা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) খুব কাছ থেকে দেখেছেন, তাঁরা সবাই চন্দ্রনাথকে চেনেন। চন্দ্রনাথ রথ। শুভেন্দুর ফাইল বয়ে নিয়ে যাওয়া, শুভেন্দুর মিটিং-মিছিলের প্ল্যানিং করা। সবটাই করতেন চন্দ্রনাথ। বাংলায় যখন নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টার কিছু বেশি সময় বাকি, তখনই গুলিতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল সেই চন্দ্রনাথের দেহ।
পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি
বুধবার রাতে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ যখন বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন সেই গাড়ি থামিয়ে বাইক থেকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। অর্জুন সিং, শঙ্কদেব পণ্ডার মতো বিজেপি নেতারা দাবি করেছেন, মৃত্যু নিশ্চিত করতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয়েছে চন্দ্রনাথকে।
শুভেন্দুর সঙ্গে ৮ বছরের সম্পর্ক
জানা যায়, চন্দ্রনাথের সঙ্গে বিগত ৮ বছরের সম্পর্ক ছিল শুভেন্দুর। প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মী ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পুলুপ এলাকার ঈশ্বরপুর ৫ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে থাকার সময় থেকেই ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল তাঁদের। তখন থেকেই বিশেষ আস্থাভাজন ছিলেন চন্দ্রনাথ। বিশেষ করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তদারকি করাই ছিল চন্দ্রের কাজ।
২৬-এর নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন এই চন্দ্রনাথ নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন। পাশাপাশি শুভেন্দু বিরোধী দলনেতা হওয়ার পর কলকাতায় শুভেন্দু অধিকারীর সবরকম কাজও তদারকি করতেন তিনিই। চণ্ডীপুরের বাড়িতে চন্দ্রনাথের পরিবারে রয়েছেন তাঁর মা।
বুধবার যেভাবে চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছে, তা থেকে স্পষ্ট যে কেউ বা কারা দীর্ঘদিন ধরে রেইকি করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চন্দ্রনাথকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
