Basanti: রক্তাক্ত বাসন্তী! ভরা বাজারে পুলিশ অফিসারকেই রাস্তায় ফেলে ‘বাঁশপেটা’
Basanti: মাথা ফেটে রক্তাক্ত হন বাসন্তী থানার এসআই। রাস্তায় পড়ে যান। ওই অবস্থাতেই লুঙ্গি-হাওয়াই চটি পরিহিত কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে বাঁশ দিয়ে পেটাতে থাকেন। প্রাণভয়ে কোনওক্রমে পালিয়ে বাঁচতে হয় পুলিশ অফিসারকে। আক্রান্ত পুলিশ অফিসারের নাম সৌরভ গুহ, তিনি বাসন্তী থানার সাব ইন্সপেক্টর। বাসন্তীতে প্রচারে বেরিয়েছিল বিজেপি। অভিযোগ, সেই প্রচারেই হামলা চলে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেখানে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন খোদ পুলিশ অফিসারই।

দেবব্রত মণ্ডল: ভোটবঙ্গে রক্তাক্ত বাসন্তী। পুলিশ অফিসারকেই রাস্তায় ফেলে বাঁশপেটা! TV9 বাংলার ক্যামেরায় ধরা পড়ে সেই ছবি। মাথা ফেটে রক্তাক্ত হন বাসন্তী থানার এসআই। রাস্তায় পড়ে যান। ওই অবস্থাতেই লুঙ্গি-হাওয়াই চটি পরিহিত কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে বাঁশ দিয়ে পেটাতে থাকেন। প্রাণভয়ে কোনওক্রমে পালিয়ে বাঁচতে হয় পুলিশ অফিসারকে। আক্রান্ত পুলিশ অফিসারের নাম সৌরভ গুহ, তিনি বাসন্তী থানার সাব ইন্সপেক্টর। জানা যাচ্ছে, এসআই-ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন।
বাসন্তীতে প্রচারে বেরিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার। অভিযোগ, সেই প্রচারেই হামলা চলে। বাজারে প্রচার চলাকালীন তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাঁশ লাঠি নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। একের পর এক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেখানে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন খোদ পুলিশ অফিসারই।
আক্রান্ত পুলিশ অফিসার সাধারণ পোশাকে ছিলেন। তাঁকে রীতিমতো তাড়া করতে থাকে উন্মত্ত দুষ্কৃতীরা। বাঁশ উঁচিয়ে তাড়া দিতে থাকে। রাস্তায় হোঁচট খেয়ে পড়ে যান সৌরভ। তখনই তাঁর গায়ে-মাথায় বাঁশ দিয়ে এলোপাথাড়ি মারতে থাকে দুষ্কৃতীরা। কপাল ফেটে রক্ত বেরোতে থাকে এসআই-এর।
এরপরই সেখানে পুলিশের বিশাল বাহিনী পৌঁছে যায়। ক্যানিং, বাসন্তী, গোসাবা কোস্টাল থানার পুলিশ অফিসাররা মোতায়েন রয়েছেন। রয়েছেন অ্যাডিশনাল এসপি। মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। এলাকা থমথমে। এলাকায় টহলদারি শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আহত পুলিশ অফিসারকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বরবারই বাসন্তী স্পর্শকাতর এলাকা। প্রতিবারই নির্বাচনের সময়ে এখানে হিংসার অভিযোগ ওঠে। কিন্তু এভাবে পুলিশকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর অভিযোগে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা। তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “কিছু নিয়ম আছে, সেগুলো মানতে হবে। বিজেপি জমিদারের দল নয়। পুলিশ সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের আওতায়। যদি পুলিশের কিছু হয়, কমিশনকেই দায়িত্ব নিতে হবে।”
বিজেপি নেতা সজল ঘোষের বক্তব্য, “যারা করেছে, আর ক’মাস বাদে তাদের ওপর যে কী জনরোষ আছড়ে পড়বে, সেটা দেখার অপেক্ষায়।”
