Bhangar: ‘অহিদুলকে গ্রেফতার করতেই হবে, না হলে…’, তপ্ত ভাঙড়ে শওকতের হুঁশিয়ারির পরই রাতারাতি গ্রেফতার ISF নেতা
Bhangar TMC-ISF: ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "রাকেশকে ছেড়ে দিতে হবে। তা না হলে অহিদুলকে গ্রেফতার করতে হবে। না হলে রাস্তা অবরোধ করে দেব।" তারপরেই দেখা যায়, উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ আইএসএফ নেতা অহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে। সোমবার অহিদুলকে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: প্রজাতন্ত্র দিবসেও আগের রাতেও উত্তপ্ত ভাঙড়। ভাঙড়ের কাটাডাঙ্গায় আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষ। ঘটনায় এক আইএসএফ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম অহিদুল ইসলাম। রবিবারই গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃণমূল নেতা রাকেশ মোল্লাকে। তৃণমূল নেতা রাকেশকে গ্রেফতার করার পরই কাঠালিয়াতে প্রকাশ্যমঞ্চে হুঁশিয়ারি দেন শওকত মোল্লা।
ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “রাকেশকে ছেড়ে দিতে হবে। তা না হলে অহিদুলকে গ্রেফতার করতে হবে। না হলে রাস্তা অবরোধ করে দেব।” তারপরেই দেখা যায়, উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ আইএসএফ নেতা অহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে। সোমবার অহিদুলকে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে।
বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। ভাঙড় বরাবরই স্পর্শকাতর এলাকা বলে পরিচিত। ভোটের মুখে দফায় দফায় আইএসএফ-তৃণমূলের সম্পর্কে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ভাঙড়। শনিবার রাতে আইএসএফ কর্মীদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা মারার অভিযোগ ওঠে। এমনকি বন্দুকের বাঁট দিয়ে মারারও অভিযোগ তুলেছে আইএসএফ।
ঘটনার সূত্রপাত একুশে জানুয়ারি আইএসএফ- এর প্রতিষ্ঠাতা দিবসে যাওয়া এবং এলাকায় দলীয় ফ্ল্যাগ লাগানোকে কেন্দ্র করে। রবিবার দলীয় পতাকা বাঁধছিলেন আইএসএফ কর্মী-সমর্থকরা। অভিযোগ, তখনই তাঁদের ওপর চড়াও হন তৃণমূল সমর্থকরা। প্রত্যেকেই শওকত মোল্লার অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত। বেশ কয়েকটি বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাও ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকজন আহন হন। তাঁদের উদ্ধার করে জিরানগাছা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় মোতায়েন রয়েছে উত্তর কাশীপুর থানার বিশাল বাহিনী। রবিবারই রাকেশকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আর দলের কর্মীর গ্রেফতারির পরই হুঁশিয়ারি দেন শওকত। রাতারাতি গ্রেফতার আইএসএফ কর্মীও।
