Bhangar: ভাঙড়ে বড় জয় তৃণমূলের, চওড়া হাসি সওকতের
সূত্রের খবর,দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছিল। অবশেষে আইএসএফ ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে হজরথ মোল্লা জানান, "এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের স্বার্থে কাজ করতেই এই সিদ্ধান্ত। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে সংগঠন শক্তিশালী করতে কাজ করব।" সওকত বলেন, "বিগত পাঁচ বছরে ভাঙড়ে কোনও উন্নয়ন নেই। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হয়েছেন হজরত।"

ভাঙড়: একুশের নির্বাচনের সময় সারা রাজ্যে সবুজ ঝড় উঠছে। সেই সময় ভাঙড়ে তৃণমূলকে পর্যুদস্ত করেছে আইএসএফ (ISF)। বিধায়ক হয়েছেন নওশাদ সিদ্দিকী। অথচ, সেই এলাকাতেই এবার বিরাট ভাঙন। আইএসএফ ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান। নারায়ণপুর অঞ্চলের আইএসএফ নেতা হজরথ মোল্লা তাঁর অনুগামীদের নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকাত মোল্লা-র হাত ধরে ঘটকপুকুর তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়।
সূত্রের খবর,দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছিল। অবশেষে আইএসএফ ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে হজরথ মোল্লা জানান, “এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের স্বার্থে কাজ করতেই এই সিদ্ধান্ত। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে সংগঠন শক্তিশালী করতে কাজ করব।” সওকত বলেন, “বিগত পাঁচ বছরে ভাঙড়ে কোনও উন্নয়ন নেই। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হয়েছেন হজরত।” এরপর সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, চাপ দিয়েই কি তৃণমূলে যোগদান? সওকত বলেন, “তৃণমূলের এমন দিন আসেনি যে চাপ দিয়ে দলে যোগদান করাতে হবে। সবাই উন্নয়ন চায়।”
এই প্রসঙ্গে আইএসএফ-এর এক নেতা বলেন, “আমাদের দলের হজরত মোল্লা বলে নারায়ণপুর অঞ্চলের যিনি দায়িত্বে ছিলেন দীর্ঘদিন তিনি সওকত মোল্লার হাত ধরে তৃণমূলে গেছেন। আর উনিও পার্টি বিরোধী কাজ করছিলেন। ওঁকে আগেই শোকজ করা হয়েছিল।”
