Kultali: অসহায়তার সুযোগ নিয়ে বিয়ে, ঘরে নতুন বউ আনার পর থেকেই চুপিচুপি চলছিল নারকীয় কাজ! ছাড় পেল না মেয়েও
Kultali: বিধবা মহিলাকে বিয়ে করে তাঁর মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, সবটা জানতে পেরে স্বামীকে ধরিয়ে দিল স্ত্রী-ই। চাঞ্চল্যকর ঘটনা কুলতলি থানা এলাকায়। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব এলাকার বাসিন্দারা।

কুলতলি: সোমবার রাতে বাদুড়িয়া থানার বাজিতপুর এলাকায় ইছামতি নদীর চর থেকে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর পচাগলা দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ, রাস্তা থেকেই ওই নাবালিকাকে অপহরণ করা হয়। তারপরই তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। দেহ লোপাটের জন্য নদীর চরে পুঁতে ফেলা হয়। এক মাস নিখোঁজ থাকার পর সোমবার রাতেই উদ্ধার হয় সেই দেহ। সেই ঘটনা নিয়ে যখন চাপানউতোর চরমে ঠিক সেই সময় কুলতলি থানা এলাকার এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠছে বাবার বিরুদ্ধে। মেয়ের অভিযোগের ভিত্তিতেই বাবাকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি তুলে সরব হয়েছেন এলাকার লোকজন।
পরিবার সূত্রে খবর, চার বছর আগে তার বাবা মারা যায়। তারপরই তাঁর মা আবার বিয়ে করেন এলাকারই এক ব্যক্তিকে। বিয়ের পর থেকে নতুন বাবার কাছেই মায়ের সঙ্গে থাকতো ওই নাবালিকা। তাঁর অভিযোগ, একবার নয়, বারবার তার উপর অত্যাচার করেছে তাঁর সৎ বাবা। বাড়িতে একা পেলেই চলতো পাশবিক শারীরিক নির্যাতন। দিনের পর দিন ধরে চলতো ধর্ষণ। কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হতো। সেই ভয়েই শুরুতে কাউকে অত্যাচারের কথা বলতেও পারেনি নির্যাতিতা।
কিন্তু, অত্যাচারের বাঁধ ভাঙায় শেষ পর্যন্ত মুখ খোলে নির্যাতিতা। সবটা জানতে পেরে মঙ্গলবারই কুলতলি থানার দ্বারস্থ হন নাবালিকার মা। অভিযোগ পেতেই অ্যাকশন নেয় পুলিশ। পকসো আইনে মামলাও রুজু হয়। গ্রেফতার করা হয় নির্যাতিতার সৎ বাবাকে। এদিনই তাঁকে আদালতে তোলা হবে।





