Bhangar: খালি হাতে বোমা উদ্ধার করে বিতর্কে পুলিশ, শোরগোল ভাঙড়ে
Bhangar: এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতর। এলাকার তৃণমূল নেতাদের দাবি, রানিগাছি গ্রামের বাসিন্দা আইএসএফ বুথ সভাপতি সিরাজুল খাঁর বাড়ি লাগোয়া খড়ের গোডাউন থেকে ওই বোমা উদ্ধার হয়েছে। এলাকায় অশান্তি পাকানোর জন্য সিরাজুল এমনটা করেছে।

ভাঙড়: আবারও বোমা উদ্ধার ভাঙড়ে। বোমা উদ্ধার করেই বিতর্কে পুলিশ। রাজ্যে একাধিকবার বোমা উদ্ধার বা নিষ্ক্রিয় করার সময় দুর্ঘটনা ঘটলেও কলকাতা পুলিশ কবে শিক্ষা নেবে এদিন সেই প্রশ্ন তুলছেন ভাঙড়ের বাসিন্দারা। রানিগাছিতে এক আইএসএফ নেতার বাড়ির পাশে খড়ের গুদামের মধ্যে কয়েকটি তাজা বোমা পড়ে ছিল। খবর যায় পুলিশের কাছে। সেই বোমাগুলি খালি হাতে বালতিতে তুলতে দেখা যায় কলকাতা পুলিশের এক অফিসারকে। আরেকজন অফিসার বালতি ভর্তি বোমা নিয়ে দৌড়ে গিয়ে তা তুললেন টাটা সুমোতে। চারপাশে তখন অসংখ্য গ্রামবাসীর ভিড়। দুর্ঘটনাবশত যদি একটা বোমা ফাটত তাহলে কী অবস্থা হতো ওই এলাকার? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতর। এলাকার তৃণমূল নেতাদের দাবি, রানিগাছি গ্রামের বাসিন্দা আইএসএফ বুথ সভাপতি সিরাজুল খাঁর বাড়ি লাগোয়া খড়ের গোডাউন থেকে ওই বোমা উদ্ধার হয়েছে। এলাকায় অশান্তি পাকানোর জন্য সিরাজুল এমনটা করেছে।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিরাজুল খাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা বলছেন, মিঠুন ও লাল্টু নামে দুই তৃণমূল কর্মী বস্তা নিয়ে আমাদের গোডাউনে ঢুকেছিল। ওরাই বস্তা করে বোমা নিয়ে এসেছিল। ওঁর চলে যেতেই কয়েক মিনিট পর পুলিশ এসে বোমা উদ্ধার করে। সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর চলছেই এলাকার রাজনৈতিক মহলে।





