Suvendu Adhikari: ৫১টি ক্লাবকে ১০ হাজারি চেক! ‘আয়ের উৎস কী?’, TMC সাংসদকে ডেডলাইন শুভেন্দুর
Bapi Halder TMC: বিরোধী দলনেতার কথায়, "আমি শুধু জানতে চাই এই টাকার উৎস কী? উনি দাবি করেছেন, এই টাকা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দিয়েছে। তাদের নাম কী, রেজিস্ট্রেশন নম্বর কত?" এরপরেই তৃণমূল সাংসদকে ডেডলাইন বেঁধে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ৫১টি ক্লাবকে আর্থিক অনুদান। প্রত্যেক ক্লাবের কর্তৃপক্ষের হাতে এল ১০ হাজার টাকার চেক। সঙ্গে দু’টি ফুটবল। দাতা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তবে সেই সংগঠনের উদ্যোগে সমগ্র কর্মসূচিটির আয়োজন হলেও, দান হয়েছে নেতার হাত ধরে। মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদারের হাত থেকেই চেক তুলে নিয়েছে প্রতিটি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তাতেই আপত্তি রাজ্য়ের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সাংসদের আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন তিনি।
সোমবারই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদকে কাঠগড়ায় তোলেন শুভেন্দু। সাংসদ নিজের ‘গ্যাঁটের কড়ি’ খরচ করে এই কর্মসূচি করেছেন বলেও ইঙ্গিতে দাবি করেন শুভেন্দুর। বিরোধী দলনেতার কথায়, “আমি শুধু জানতে চাই এই টাকার উৎস কী? উনি দাবি করেছেন, এই টাকা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দিয়েছে। তাদের নাম কী, রেজিস্ট্রেশন নম্বর কত?” এরপরেই তৃণমূল সাংসদকে ডেডলাইন বেঁধে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
তাঁর দাবি, “তিন দিনের মধ্য়ে ওই এনজিও-র নাম প্রকাশ না করলে আমি আয়কর দফতরকে চিঠি লিখব।” এবার শুভেন্দুকে পাল্টা তোপ দেগেছেন তৃণমূল সাংসদ। এনজিও-র নাম উল্লেখ করে বাপি হালদারের দাবি, “আমরা বেশ কয়েকটি এনজিও-কে সংগঠিত করতে সাহায্য করেছিলাম। আর টাকা দিইনি, চেক দেওয়া হয়েছে। আমি ওনাকে বলব, দায়িত্বশীল হন।” সাংসদের সংযোজন, “শুধু আয়কর দফতর কেন, যে কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থাকেই জানাতে পারেন। কারণ সেগুলো এখন বিজেপির দ্বিতীয় পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে। এতদিন লোকে ওনাকে ক্ষ্যাপা ষাঁড় বলত, আমার তো মনে হয় উনি অন্ধও। চেকের মধ্যেই সমস্ত বিবরণ দেওয়া আছে।”
