AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Abhishek Banerjee: আর হয়ত একদিন হলে বড় কিছু হত…,আফ্রিদার সমস্যার সমাধান করলেন খোদ অভিষেক

জানা যাচ্ছে, অভিষেক উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সাংসদের নির্দেশে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বুধবারই স্কুলের তরফে পরীক্ষায় বসার আবেদন জানানো হয়। প্রয়োজনীয় ফিসেরও বন্দোবস্ত করে দেন পর্যবেক্ষক। সন্ধ্যার মধ্যেই অ্যাডমিট কার্ড হাতে পান আফ্রিদা। আগামিকাল পরীক্ষায় বসছেন তিনি।

Abhishek Banerjee: আর হয়ত একদিন হলে বড় কিছু হত...,আফ্রিদার সমস্যার সমাধান করলেন খোদ অভিষেক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 12, 2026 | 9:10 AM
Share

ডায়মন্ড-হারবার: ক্যানসার আক্রান্ত অত্মীয়ের চিকিৎসার জন্য ভিনরাজ্যে গিয়েছিলেন। তার জন্য উচ্চমাধ্যমিকের রেজিস্ট্রেশন করতে পারেননি। ফলে অ্যাডমিড কার্ড না পেয়ে কার্যত ভেঙে পড়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারের নেতড়া হাইস্কুলের ছাত্রী আফ্রিদা খাতুন। শেষ পর্যন্ত সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেলেন তিনি।

নেতড়ার নস্করপাড়া এলাকার বাসিন্দা আফ্রিদা। তাঁর বাবা নুরুলহুদার মৃত্যু হয় প্রায় চোদ্দ বছর আগে। মা সাহানা বিবি লোকের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। মাস পাঁচেক আগে ক্যানসার আক্রান্ত মাসির চিকিৎসার জন্য আফ্রিদাকে মুম্বাই যেতে হয়। মঙ্গলবার রাতে বাড়ি ফেরেন তিনি। বুধবার স্কুলে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন না হওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। বিষয়টি জানতে পারেন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার পর্যবেক্ষক শামিম আহমেদ। তিনি তড়িঘড়ি সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানান।

জানা যাচ্ছে, অভিষেক উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সাংসদের নির্দেশে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বুধবারই স্কুলের তরফে পরীক্ষায় বসার আবেদন জানানো হয়। প্রয়োজনীয় ফিসেরও বন্দোবস্ত করে দেন পর্যবেক্ষক। সন্ধ্যার মধ্যেই অ্যাডমিট কার্ড হাতে পান আফ্রিদা। আগামিকাল পরীক্ষায় বসছেন তিনি। পাশে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য সংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।

নেতড়া হাইস্কুল ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুজিত ঘোষ বলেন, “মাসির ক্যানসার আর সেই কারণে চলে গিয়েছিল বম্বেতে। এদিকে পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশন হয়ে যায়। পরে আমরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি।” পরীক্ষার্থী আফ্রিদা খাতুন বলেন, “স্যরকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার সমস্যার সমাধান করে দিয়েছেন উনি। আর স্কুলের স্যররাও আমি যাতে পরীক্ষা দিতে পারি তার জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। তবে আমি যোগাযোগ করতে পারিনি। শুধু চাইছিলাম পরীক্ষা যাতে দিতে পারি। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য পরীক্ষায় বসতে পেরেছি।”

Follow Us