Canning election violence ISF vs TMC: ক্যানিংয়ে আইএসএফ কর্মীকে ঘিরে ফেলল তৃণমূল, ছুটে গেলেন আরাবুল
ISF worker attacked in Canning: খবর পেয়েই আক্রান্ত কর্মীদের বাড়িতে ছুটে যান আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলাম। আহতদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, "তৃণমূল পরাজয়ের ভয়ে এখন সন্ত্রাস চালাচ্ছে। যারা এই নক্কারজনক ঘটনার সাথে যুক্ত, তাঁদের অবিলম্বে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।"

ভাঙড়: ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা। আইএসএফ কর্মীকে মারধর, ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানার অন্তর্গত শেওড়াদেড়িয়া গ্রামে। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শেওড়াদেড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা আইএসএফ কর্মী আলাউদ্দিন লস্কর ও তাঁর ভাইয়েরা তাঁদের নিজেদের বাড়ির দেওয়ালে ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলামের নির্বাচনী ব্যানার লাগিয়েছিলেন। অভিযোগ, কেন এই ব্যানার লাগানো হয়েছে, এই প্রশ্ন তুলে একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী তাঁদের ওপর চড়াও হয়। আক্রান্তদের অভিযোগ, ব্যানার সরানোর জন্য তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। রাজি না হওয়ায় আইএসএফ কর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁদের বাড়িতেও চলে ভাঙচুর। এমনকি তাঁদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
খবর পেয়েই আক্রান্ত কর্মীদের বাড়িতে ছুটে যান আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলাম। আহতদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূল পরাজয়ের ভয়ে এখন সন্ত্রাস চালাচ্ছে। যারা এই নক্কারজনক ঘটনার সাথে যুক্ত, তাঁদের অবিলম্বে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।”
অন্যদিকে, ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বাহারুল ইসলামও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। বলেন, “ঘটনাটি ঠিক কী ঘটেছে, তা এখনও বিস্তারিত জানি না। পুরো বিষয়টি জেনে তবেই আমি মন্তব্য করতে পারব।” ঘটনার পর গ্রামে উত্তেজনা থাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার প্রেক্ষিতে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে নেমেছে লেদার কমপ্লেক্স থানার পুলিশ। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার সঙ্গে আর কারা যুক্ত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
