Subhangshu Roy’s Wife Missing in Nepal: ‘যার যায়, সে-ই তো বোঝে…’, ২৫ তারিখের পর থেকে স্ত্রীর ফোনের অপেক্ষায় শুভ্রাংশু, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা হল?
Nepal Disaster Update: গত ২১ অগস্ট একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে নেপাল গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। মানস সরোবর যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। সন্তানরা ছোট হওয়ায়, স্বামী শুভ্রাংশুর কাছে রেখে একাই ঘুরতে যান শর্মিষ্ঠা। তবে নেপালের বিপর্যয়ের পর থেকেই আর তাঁর খোজ পাওয়া যাচ্ছে না।

কাঁচরাপাড়া: অতন্দ্র রাত কাটছে মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের (Subhangshu Roy)। এখনও নিখোঁজ তাঁর স্ত্রী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। নেপালে (Nepal) ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনি। হড়পা বানে (Nepal Flash Flood) বিপর্যয়ের পর থেকেই আর খোঁজ মিলছে না শর্মিষ্ঠার। গতকাল, শুক্রবার শুভ্রাংশু ও তাঁদের দুই সন্তানের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নেপালে বিপর্যয়ের তিন দিন পার করে গিয়েছে। এখনও নিখোঁজ বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ের স্ত্রী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। চরম উৎকন্ঠায় শুভ্রাংশু রায়ের পরিবার। শুভ্রাংশু বলেন, “এখনও কোনও খোঁজ মেলেনি। কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার সর্বতভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। যে ৩২ জন নিখোঁজ, আমরা সবাই পরিবারের মতো হয়ে গিয়েছি। সবাই চাই, ৩২ জন সুস্থভাবে ফিরে আসুক।”
স্ত্রীর খোঁজ না পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “যার যায়, সে তো বোঝে…আমার স্ত্রী আজ মিসিং। ৭দিন হল গিয়েছে, ২৬ তারিখ থেকে কথা হচ্ছে না। মানস সরোবর দর্শন করতে গিয়েছিল। ৭ সেপ্টেম্বর ফেরার কথা ছিল। একটা উৎকণ্ঠা তো থাকেই। বাড়িতে দুটো বাচ্চা আছে।”
প্রসঙ্গত, গত ২১ অগস্ট একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে নেপাল গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। মানস সরোবর যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। সন্তানরা ছোট হওয়ায়, স্বামী শুভ্রাংশুর কাছে রেখে একাই ঘুরতে যান শর্মিষ্ঠা। তবে নেপালের বিপর্যয়ের পর থেকেই আর তাঁর খোজ পাওয়া যাচ্ছে না।
চরম উৎকন্ঠায় রয়েছে শুভ্রাংশুর পরিবার। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সে কথা বলেন শুভ্রাংশু এবং তাঁর দুই ছেলে-মেয়ে। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করেন। নেপাল দূতাবাসের সঙ্গে কথাও বলিয়ে দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে খুশি বলেই জানান মুকুল-পুত্র। তিনি বলেন, “৫০০ জন তিব্বত বর্ডারে আটকে আছে বলে শুনেছি। তাদের নাম সংগ্রহ করা হচ্ছে। আপডেটটা যেন একটু তাড়াতাড়ি দেওয়া হয়। যতক্ষণ খোঁজ না পাব, ততক্ষণ তো একটা উৎকণ্ঠা থাকবেই। কাঠমাণ্ডু থেকে ৯০ কিলোমিটার দূর পর্যন্তই যেতে দেওয়া হচ্ছে। আমরা গিয়েও তো খোঁজ পাব না।”
