Chinsurah: ‘এইসব ছাউনি সরিয়ে ফেলবেন’, আজকের মধ্যেই তুলে দিতে হবে ফুটপাথের দোকান, জানিয়ে দিয়ে গেল PWD
দোকানদাররা জানান, আগে থেকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। গতকাল হঠাৎ এসে পুলিশ আর পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা দোকান তুলে দিতে বলেন। তাঁদের কোনও সময় দেওয়া হচ্ছে না। এত জিনিস একদিনে কি ভাবে সরাবো। তারা আরও বলেন, পুজোর আগে এই ভাবে উচ্ছেদ এখন মৃত্যু ছাড়া উপায় নেই। পরিবার নিয়ে পথে বসতে হবে।

চুঁচুড়া: সামনেই দুর্গাপুজো (Durga Puja 2026)। তার আগে আবারও উচ্ছেদের আশঙ্কায় ভুগছেন অস্থায়ী দোকানদাররা। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজকের মধ্যেই দোকান তুলে দিতে বলা হয়েছে PWD-র পক্ষ থেকে। এখানে উল্লেখ্য, পালা বদলের পর বিজেপি ক্ষমতায় এসেই প্রথমে বলেছিল কোনও ভাবে ফুটপাথ দখল করে দোকান বসানো চলবে না। খালি করতে হবে সরকারি জায়গা। ইতিমধ্যেই বহু সরকারি জায়গা খালি করাও হয়েছে। এবারের ঘটনাস্থল চুঁচুড়া।
বুধবার পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা চুঁচুড়া থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন দোকানে পৌঁছন। তারপর উচ্ছেদের সময় বেঁধে দেন। মূলত, চুঁচুড়া ঘড়ি মোড়, কোর্ট চত্বর, মাঠের ধার ও জেলাশাসক কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন দোকানে গিয়ে দোকান সরিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়ে দেন আধিকারিকরা। আজকের মধ্যে দোকানের মাল খালি করে দিতে বলা হয়েছে। না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আধিকারিকদের বলতে শোনা যায়, “দোকানের সব ছাউনি সরিয়ে ফেলতে হবে।” এতেই মাথায় হাত ছোট ছোট দোকানদারদের। এই দোকানের উপরেই সংসার চালায় বহু পরিবার। কেউ কুড়ি বছর তো কেউ তার থেকেও বেশি বছর ধরে এই সব দোকান চালান।
দোকানদাররা জানান, আগে থেকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। গতকাল হঠাৎ এসে পুলিশ আর পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা দোকান তুলে দিতে বলেন। তাঁদের কোনও সময় দেওয়া হচ্ছে না। এত জিনিস একদিনে কীভাবে সরাবেন। তাঁরা আরও বলেন, পুজোর আগে এই ভাবে উচ্ছেদ এখন মৃত্যু ছাড়া উপায় নেই। পরিবার নিয়ে পথে বসতে হবে।
এ প্রসঙ্গে, এক দোকানদার বলেন, “এখানে ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে দোকান করছি। এখন এসে বলল জায়গা খালি করে দিতে হবে। করে দিয়েছি।” আরও এক বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি বলেন, “আমি চলে যাব। কিন্তু সরকারকে চাকরি দিতে হবে। চাকরি না দিলে দোকান করে খেতে হচ্ছে।”
