Petrol Pump: পাম্প থেকে পেট্রল ফুল ট্যাঙ্ক করার পরই মাঝরাস্তায় কেমন শব্দ…গ্যারেজে ভিড় জমতে থাকে গাড়ির! ইঞ্জিন দেখতেই চক্ষু চড়কগাছ গ্যারেজকর্মীর
Egra petrol pump water mixed petrol: পেট্রোলের সঙ্গে জল মিশিয়ে বিক্রি করার গুরুতর অভিযোগ উঠল এগরা ১ ব্লকের কৌড়দা এলাকার 'পাল ফিলিং স্টেশন' নামে একটি পেট্রল পাম্পের বিরুদ্ধে। ভেজাল পেট্রোল ব্যবহারের ফলে একাধিক গাড়ির ইঞ্জিন খারাপ হয়ে গেছে বলে দাবি স্থানীয় গ্রাহকদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে পাম্প চত্বরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়।

পূর্ব মেদিনীপুর: পাম্প থেকে তেল ভরে যাচ্ছেন। কিন্তু তারপর থেকেই গাড়িতে কেমন যেন সমস্যা। মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে যাচ্ছে বাইক-স্কুটি-গাড়ি। কিংবা বিকট আওয়াজ বের হচ্ছে। ইঞ্জিন থেকে বেরোচ্ছে অদ্ভুত শব্দ। একাধিক যান্ত্রিক গোলযোগ। এলাকার বাইক-স্কুটি মেরামতির গ্যারেজে জমতে থাকছে ভিড়। সবক্ষেত্রেই একটা সাধারণ সমস্যা। গাড়ির ইঞ্জিনে নাকি জল পাওয়া যাচ্ছে। এলাকার অনেকের সঙ্গেই এরকম হতে থাকে, তাতেই সন্দেহ বাড়ে। যে পাম্প থেকে তেল নেওয়া হয়েছিল, সেখানে ভিড় জমাতে থাকেন গ্রাহকরা। তাতেই উঠে আসে বিস্ফোরক তথ্য। পেট্রোলের সঙ্গে জল মেশানোর অভিযোগ! গ্রাহকদের তুমুল বিক্ষোভের জেরে বন্ধ এগরার পেট্রল পাম্প।
পেট্রোলের সঙ্গে জল মিশিয়ে বিক্রি করার গুরুতর অভিযোগ উঠল এগরা ১ ব্লকের কৌড়দা এলাকার ‘পাল ফিলিং স্টেশন’ নামে একটি পেট্রল পাম্পের বিরুদ্ধে। ভেজাল পেট্রোল ব্যবহারের ফলে একাধিক গাড়ির ইঞ্জিন খারাপ হয়ে গেছে বলে দাবি স্থানীয় গ্রাহকদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে পাম্প চত্বরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অনির্দিষ্টকালের জন্য পাম্পটি বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই পেট্রল পাম্প থেকে তেল নেওয়ার পর অনেক গ্রাহকই তাঁদের গাড়িতে যান্ত্রিক গোলযোগ লক্ষ্য করছিলেন। মেকানিকের কাছে গাড়ি নিয়ে গেলে জানা যায়, তেলের ট্যাঙ্কে প্রচুর পরিমাণে জল রয়েছে, যার জেরে ইঞ্জিনের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভ জমতে শুরু করে এলাকায়।
শনিবার ওই পেট্রল পাম্পে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। পাম্পের কর্মীদের ঘিরে ধরে তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। গ্রাহকদের অভিযোগ, অধিক মুনাফা লাভের আশায় দিনের পর দিন ধরে পেট্রোলের সঙ্গে জল মিশিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করা হচ্ছিল। বিক্ষোভের জেরে পাম্পের স্বাভাবিক কাজকর্ম সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায়।
যদিও ফিলিং স্টেশনের মালিক মানিক লাল পালের দাবি, “তেলের গুণগত মানে কোনও কারচুপি করা হয়নি। কোম্পানি এমনি পেট্রল দিচ্ছে। আমাদের কোনও দোষ নাই।” ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছয় এগরা থানার বিশাল বাহিনী। উত্তেজিত জনতার সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন তাঁরা। এলাকায় নতুন করে যাতে কোনও আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে, তার জন্য এগরা থানার পুলিশের তরফে আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য ওই পেট্রল পাম্পটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
