
হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে মুক্তি পেয়ে ভোটে লড়েছেন মিলন প্রধান। গণনার দিন সকালে তিনি বললেন, “যেখানে মানুষ অবাধে ভোট দিতে পেরেছে, সেখানে কংগ্রেসে ভোট পড়েছে। কার কাছে রিপোল চাইব? যিনি রিপোল করাবেন, তিনিই তো ভোট করাচ্ছেন। নন্দীগ্রামে ঘুরে যা বুঝেছি, সঠিক ভোট হলে ২০ থেকে ২৫ হাজার ভোটে আমি জিততাম।” প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, “আমরা তো পুনর্নির্বাচন দাবি করেছিলাম। ভোট ভালোভাবে হলে মিলন প্রধান জিততেন।”
সকাল ৮টায় শুরু হবে গণনা। দুই জেলায় কড়া নিরাপত্তায় গণনা শুরু হতে চলেছে। একে একে সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা হাজির হচ্ছেন গণনাকেন্দ্রে।
রেজিনগর কেন্দ্রের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখ বলেন, “আমি আশাহত, তার মধ্যেও আশাবাদী। সবাই জানে কী হয়েছে।”
কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি বলেন, “যত সংখ্যক ভোটার তার থেকে বেশি ভোট পরেছে কিনা সেটাই দেখার জন্য এসেছি।”
নন্দীগ্রাম
বিজেপি- হাসিরানি রথ
কংগ্রেস- মিলন প্রধান
গণতান্ত্রিক তৃণমূল- এহতেশামুল হক
সিপিএম- শান্তিগোপাল গিরি
(এই কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন করেছেন। শেষ মুহূর্তে প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করেন তাঁর প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে)
রেজিনগর
বিজেপি- শাখারভ সরকার
আজুপ (AJUP)- গোলাম নবী আজাদ
মমতা তৃৃণমূল- রবিউল ইসলাম
কংগ্রেস- আব্দুল্লাহিল কাফি
সিপিএম- সইদ আসাদ আলি
গণতান্ত্রিক তৃণমূল- শফিউজ্জামান শেখ
সরকার বদলের পর প্রথম উপভোট দেখল রাজ্য। এবার ফলাফলের অপেক্ষা। আজ, শুক্রবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর কেন্দ্রের উপ নির্বাচনের ফলাফলে নজর সব পক্ষের। পালাবদলের পর রাজ্য়ের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলেছে অনেকটাই। প্রতীক হারিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল লড়েছে ফুটবলার চিহ্নে। রেজিনগরে ভোট নিয়ে অভিযোগ সরব হয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির ঘরে আরও একটি আসন বাড়ছে কি না, সেদিকেই নজর সব পক্ষের।