Bangladesh: আখাউড়া-আগরতলা রেল রুট পুনরায় চালু করতে চান শেখ হাসিনা

Bangladesh: প্রধানমন্ত্রীর মতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সংযোগ বাড়ানো হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগের উন্নতি হবে।

Bangladesh: আখাউড়া-আগরতলা রেল রুট পুনরায় চালু করতে চান শেখ হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল চিত্র।

ঢাকা : বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে আগ্রহী দুই দেশ। শুধু তাই নয়, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে আরও ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী হাসিনা সরকার। আর সেই লক্ষ্যেই আখাউড়া-আগরতলা রেল রুট পুনরায় চালু করা হবে। এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যোগাযোগ বাড়াতে হবে। আখাউড়া-আগরতলা রেল রুটের সবকিছুই সেখানে রয়েছে। এখন শুধুমাত্র তা পুনরায় চালু করতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর মতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সংযোগ বাড়ানো হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগের উন্নতি হবে।

আজ মঙ্গলবার ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে শেষে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। বৈঠক শেষে শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যেকার সম্পর্ক নতুন মাত্রা লাভ করেছে। তিনি বলেন, দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা, বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। অন্যদিকে দোরাইস্বামী প্রধানমন্ত্রীকে জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিজয় দিবস উদযাপনে ভারতের রাষ্ট্রপতি যোগদান করতে বাংলাদেশ সফর করবেন।

দোরাইস্বামী জানিয়েছেন, এটি একটি বিশেষ বছর এবং বছরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একই বছরে বাংলাদেশ সফর করেছেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের কাছে অত্যন্ত প্রিয় দেশ। এই মুহূর্তে ভারত এবং বাংলাদেশের আধিকারিকরা ভারতীয় প্রেসিডেন্টের সফর চূড়ান্ত করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দোরাইস্বামী।

অন্যদিকে এই মুহূর্ত ভারত এবং বাংলাদেশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ করোনা। সেখানে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশকেই মারাত্মক ভাইরাস মোকাবিলায় সতর্ক থাকতে হবে। ভারতীয় হাইকমিশনার তাদের কোভিড ১৯ মোকাবিলার খারাপ সময়ে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করে সাহায্য করার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর একটি অত্যন্ত দুর্লভ একটি ছবি তুলে দেন। ছবিটিতে ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে একজন নিরাপত্তা সদস্যকে তার সঙ্গে দুপুরের খাবারের জন্য তার বাড়িতে নিতে দেখা যায়। পাশাপাশি ভারতীয় হাইকমিশনার কিছু সংবাদপত্রের ক্লিপিংস এবং অডিও ও ভিডিও সংবলিত একটি পেনড্রাইভও হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীর হাতে বন্দিদশায় তার ভয়াবহ দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, কিন্তু ভারত যখন বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তখন তা তাদের জন্য মহান বার্তা ছিল।

আরও পড়ুন : Mamata Banerjee in Mumbai: সিদ্ধি বিনায়কের কাছে উদ্ধবের সুস্থতা কামনা মমতার, মুম্বই পৌঁছেই বললেন ‘জয় মারাঠা’

Published On - 12:02 am, Wed, 1 December 21

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla