AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘পাঁচ চোখ’ থেকে কানাডাকে তাড়ানোর আর্জি ট্রাম্পের কাছে, ‘ষষ্ঠ চোখ’ কি ভারত হবে?

Five Eyes Alliance: ট্রাম্পকে লেখা চিঠিতে পিটারের দাবি, কানাডাকে বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু দেশ হিসাবে ট্রিট করা উচিত নয়। তিনি লিখেছেন যে কানাডা ইজ ওয়ার্কিং এগেনস্ট আওয়ার ইন্টারেস্ট

'পাঁচ চোখ' থেকে কানাডাকে তাড়ানোর আর্জি ট্রাম্পের কাছে, 'ষষ্ঠ চোখ' কি ভারত হবে?
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 01, 2025 | 2:55 PM
Share

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব মেনে কানাডা আমেরিকার ৫১তম প্রদেশ হবে কিনা জানি না। তবে অবস্থা যে দিকে গড়াচ্ছে তাতে ফাইভ আইজ গ্রুপ থেকে কানাডার বিদায়ের সম্ভাবনা জোরাল হচ্ছে। পাঁচটা দেশের গোয়েন্দা গ্রুপ থেকে কানাডাকে ছেঁটে ফেলতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সওয়াল করেছেন তাঁর প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা। এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন খোদ ট্রাম্পের তিন প্রশাসনিক উপদেষ্টার অন্যতম পিটার নাভারো।

ট্রাম্পকে লেখা চিঠিতে পিটারের দাবি, কানাডাকে বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু দেশ হিসাবে ট্রিট করা উচিত নয়। তিনি লিখেছেন যে কানাডা ইজ ওয়ার্কিং এগেনস্ট আওয়ার ইন্টারেস্ট। সো দে শুড বি কিকড আউট ফ্রম ফাইভ আইজ গ্রুপ। ট্রাম্পের পাবসিলিটি ক্যাম্পেনের মাথা, স্টিভ ব্যাননও প্রেসিডেন্টের কাছে একই সুপারিশ করেছেন। খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যার জেরে ভারত-কানাডা সম্পর্ক যখন তলানিতে, তখন এই ফাইভ আইজের নানা কান্ডকারখানা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সেই সময় বাইডেন প্রশাসনে অনেকেই সুপারিশ করেছিলেন, দেশ হিসাবে কৌশলগত গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে ভারতকেও সিক্সথ আই হিসাবে এই গ্রুপে সামিল করা হোক। ট্রাম্পের আমলেও সেই দাবি উঠছে। এবং সেটা তুলছেন নাভারোর মতো ট্রাম্প ঘনিষ্ঠরাও।

ফাইভ আইজ কিন্তু সিআইএ, এমআই সিক্সের মতো সরাসরি অপারেশন করে না। এরা নিজেদের গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যগুলো দেওয়া-নেওয়া করে। আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ব্রিটেনকে নিয়ে তৈরি এই ফাইভ আইজ গোষ্ঠী। বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করেন যে ফাইভ আইজের মতো গ্রুপ রয়েছে বলেই এই দেশগুলো অন্যদের তুলনায় সুরক্ষিত। সব থ্রেটকে এরা আগে থেকে চিহ্নিত করতে পারে। অনেকে এও বলেন যে এটা বিশ্বে সবচেয়ে পাওয়ারফুল গোয়েন্দা সংস্থা। খালি মাঠে নেমে অপারেশন করে না, এই যা। সহজ কথায় মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে যেসব তথ্য আসছে, তা বাকি ৪ দেশের সঙ্গে শেয়ার করা হচ্ছে। সেই তথ্য ওই ৪ দেশের কাজে লাগুক বা নাই লাগুক। এটাই রীতি। ফাইভ আইজের সহযোগিতা মেলেনি বলেই একাধিক জঙ্গি হামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পায়নি ভারত। এর সবচেয়ে জ্বলন্ত উদাহরণ কনিষ্ক বিমান নাশকতা। কানাডা থেকে ওড়া বিমানে নাশকতার ঘটনায় তিনটে টপ সিক্রেট ফাইল রয়েছে আমেরিকার হাতে। গোষ্ঠীর সদস্য না হওয়ায় কানাডা বা আমেরিকা – কেউই সেই ফাইল ভারতের হাতে দেয়নি।

Follow Us