AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Cyber Attack: ব্যাঙ্কে নয়, ফ্রিজে সাইবার হানা! একসঙ্গে অচল হয়ে গেল সব ফ্রিজার, এক রাতেই টন টন খাবার নষ্ট

Europe Cyber Attack: ঘরে- অফিসে গ্যাজেট, মেশিনগুলো ইদানিং খারাপ হয়েছে কি না, ওইসব মেশিনে কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না খেয়াল করতে হবে। নিজেরাই নিজেদের মেশিনের সেফটি অডিট করতে হবে। ইউরোপের দেশগুলোর বাসিন্দাদের এমনই একগুচ্ছ পরামর্শ  দিয়েছে সেফটি কমিশন।

Cyber Attack: ব্যাঙ্কে নয়, ফ্রিজে সাইবার হানা! একসঙ্গে অচল হয়ে গেল সব ফ্রিজার, এক রাতেই টন টন খাবার নষ্ট
প্রতীকী চিত্র।Image Credit: Pexels
| Updated on: Nov 05, 2026 | 8:14 PM
Share

প্যারিস: অফিস থেকে ফিরে ফ্রিজ খুলতেই ধাক্কা।  ফ্রিজ তো চলছেই না। কী আর করা যাবে! খাবার-দাবার সব ফেলে দিতে হবে। পরদিন হয়তো দেখলেন, ঘরের বাল্ব জ্বলছে না। বা গিজার, শাওয়ার কাজ করছে না। এখন থেকে এরকম কিছু হলে যন্ত্র খারাপ বলে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। গোটা ইউরোপ জুড়ে জারি হয়েছে গেজেট সতর্কতা।

ঘরে- অফিসে গ্যাজেট, মেশিনগুলো ইদানিং খারাপ হয়েছে কি না, ওইসব মেশিনে কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না খেয়াল করতে হবে। নিজেরাই নিজেদের মেশিনের সেফটি অডিট করতে হবে। ইউরোপের দেশগুলোর বাসিন্দাদের এমনই একগুচ্ছ পরামর্শ  দিয়েছে সেফটি কমিশন। কেন এইসব পরামর্শ? সেফটি কমিশন ঝেড়ে কাশেনি। শুধু জানিয়েছে, নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষার কথা ভেবে এটা করতেই হবে।

গত শুক্রবার ইউরোপের ৪ দেশে একাধিক সুপারমার্কেট চেইনে সাইবার অ্যাটাক হয়েছে। সুপারমার্কেট চেইনের ফ্রিজিং সিস্টেম টার্গেট করেছিল হ্যাকাররা। ফলে, একসঙ্গে সবকটা দোকানের ফ্রিজার, সেন্ট্রাল ফ্রিজিং সিস্টেম কাজ করেনি। এর জেরে ইউরোপ জুড়ে ৬৫টিরও বেশি সুপারমার্কেট বসে যায়। প্রচুর খাবার- দাবার, মাছ-মাংস- ফল নষ্ট হয়েছিল।

সম্ভবত টাকা বা কোনও দাবি আদায়ে এই সাইবার অ্যাটাক হয়নি। কারণ হ্যাকাররা সুপার মার্কেন কোম্পানিগুলির কাছে কোনও টাকা দাবি করেনি। নতুন করে হামলাও করেনি। উল্টে কোম্পানির সমস্ত ডেটা ফিরিয়ে দিয়েছে। ইউরোপীয়ান থ্রেট ইনটেলিজেন্স ইউনিটের তদন্তে এখনও পর্যন্ত তিনটে জিনিস স্পষ্ট-

এক– বিশেষ কোনও উদ্দেশ্যেই বহুজাতিক চেইনের সেন্ট্রাল কুলিং সিস্টেমে হামলা হয়েছে। গোয়েন্দারা নিশ্চিত, এটা মহড়া মাত্র। এর উদ্দেশ্য আরও গভীর এবং ব্যাপক।

দুই- কুলিং সিস্টেমে হামলা হলে যে কোনও প্রতিষ্ঠান কিংবা বড় আবাসন বসে যাবে। প্রতিরক্ষা দফতর, সেনাঘাঁটির ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। শক্ররা এভাবে হামলা চালালে যে কোনও দেশের পক্ষে এঁটে ওঠা কঠিন।

তিন– পাওয়ার গ্রিডের মতই বড় কোম্পানির কুলিং গ্রিড কোড নির্ভর। কোডের মাধ্যমেই সফটওয়ার নিজের কাজ করে। এই কোড ভেঙে দেওয়া গেলে পুরো সিস্টেম ভেঙে পড়বে। পরবর্তীতে সেই চেষ্টা হবে বলেই নিশ্চিত থ্রেট ইউনিট। তাই ইউরোপের সব দেশের নাগরিকদের গ্যাজেট পরীক্ষা করার পরামর্শ।

আমার-আপনার বাড়ির ফ্রিজ, এসি এমনকি শাওয়ারও আর নিরাপদ নয়। লেবাননে পেজার বিস্ফোরণের কথা নিশ্চয় মনে আছে। হিজবুল্লার জঙ্গিদের শিক্ষা দিতে ছোট্ট ট্রেলার দেখিয়েছিল ইজরায়েল। আবার ইউক্রেনে ডেপুটি স্পাই চিফের মৃত্যুর ঘটনা। বাড়ির শাওয়ার খুলতেই মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েছিলেন ওই গোয়েন্দা কর্তা। ইউক্রেন অভিযোগ করেছিল, রাশিয়া পাইপে বিষাক্ত গ্যাস পাঠিয়ে গোয়েন্দাকর্তাকে খুন করেছে। রাশিয়া স্বভাবতই অভিযোগ মানেনি। কিন্তু দুটো ঘটনাই দুনিয়াকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এবার সেই আতঙ্ক ফিরল ইউরোপে।

Follow Us