AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

যুদ্ধ থামল বলে! বন্দি মুক্তি, সংঘর্ষবিরতি- ট্রাম্পের কোন কোন প্রস্তাবে রাজি হল হামাস? কীসে আপত্তি?

Hamas-Israel War: প্রায় দুই বছর ধরে চলা এই সংঘাত থামাতে মরিয়া ট্রাম্প। বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হামাসকে। ইজরায়েলের সঙ্গেও শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অবশেষে শুক্রবার, ৩ অক্টোবর হামাস রাজি হল ট্রাম্পের কিছু প্রস্তাবে। ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতে, ইজরায়েল থেকে পিছু হটতে, ইজরায়েলি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া, তার বদলে প্যালেস্তাইন বন্দিদের মুক্তি, গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার মতো প্রস্তাবে রাজি হয়েছে।

যুদ্ধ থামল বলে! বন্দি মুক্তি, সংঘর্ষবিরতি- ট্রাম্পের কোন কোন প্রস্তাবে রাজি হল হামাস? কীসে আপত্তি?
হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধ থামবে?Image Credit: PTI
| Updated on: Oct 04, 2025 | 12:45 PM
Share

গাজা: গাজায় শান্তি ফেরাতে উদ্যোগী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দিয়েছিলেন ২০ দফা প্রস্তাব। অবশেষে হামাস সেই প্রস্তাবের জবাব দিল। তারা রাজি এই প্রস্তাবে, তবে আংশিক শর্ত মানতে নারাজ। অন্যদিকে ইজরায়েলও রাজি। এবার কি তবে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় থামবে ইজরায়েল-হামাসের সংঘাত?

প্রায় দুই বছর ধরে চলা এই সংঘাত থামাতে মরিয়া ট্রাম্প। বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হামাসকে। ইজরায়েলের সঙ্গেও শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অবশেষে শুক্রবার, ৩ অক্টোবর হামাস রাজি হল ট্রাম্পের কিছু প্রস্তাবে। ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতে, ইজরায়েল থেকে পিছু হটতে, ইজরায়েলি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া, তার বদলে প্যালেস্তাইন বন্দিদের মুক্তি, গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার মতো প্রস্তাবে রাজি হয়েছে। তবে ট্রাম্পের কিছু প্রস্তাব মানতে নারাজ হামাস।

কী কী প্রস্তাবে রাজি হামাস?

হামাস ইজরায়েলি ও প্যালেস্তাইনি বন্দিদের মুক্তি দেবে। ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত পণবন্দিদের মুক্তি দেওয়ার কথা, জীবিত এবং মৃত। এরপর ইজরায়েলে যে ২৫০ জন প্যালেস্তাইনি যাবজ্জীবন সাজা পেয়েছেন, তাদের মুক্তি দেওয়া হবে। গাজার বাসিন্দা যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদেরও মুক্তি দেওয়া হবে। হামাস জানিয়েছে, গাজায় বন্দি সকলকেই মুক্তি দেওয়া হবে। তবে কিছু শর্ত রয়েছে। কী সেই শর্ত, তা উল্লেখ করেনি।

সংঘর্ষবিরতি, যুদ্ধ থামানো-

যুদ্ধ থামানোর জন্য ট্রাম্প যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তাও মানতে রাজি হামাস। হামাস থেকে ইজরায়েল সেনা প্রত্যাহার করবে। দফায় দফায় সেনা প্রত্যাহার করা হবে। এই সময়ে কোনও বোমাবর্ষণ করা হবে না। তবে কীভাবে এই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট করা হয়নি হামাসের বিবৃতিতে। তবে ইজরায়েলের পেশা মানতে নারাজ।

ত্রাণ, উদ্ধারকাজ-

গাজায় ত্রাণ পাঠানোর প্রস্তাবেও রাজি হয়েছে হামাস। অবিলম্বে ত্রাণ পাঠানো হবে। প্যালেস্তাইনিদের গাজা থেকে উৎখাত করা হবে না কারণ হামাস সেই প্রস্তাব মানতে নারাজ। এতদিনের সংঘর্ষে যা যা ধবংস হয়েছে, তাও পুণনির্মাণ করা হবে। রাষ্ট্রপুঞ্জ, রেড ক্রেসেন্ট সহ আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলি এই ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালাবে।

কী কী প্রস্তাবে রাজি নয় হামাস?

সরকার গঠন-

গাজায় অরাজনৈতিক একটি অস্থায়ী সরকার তৈরি করা হবে, এই প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্যালেস্তাইনিরাও এই সরকারের অংশ হতে পারবে। তবে কোনও গোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।  এই সরকার পরিচালনের শীর্ষে থাকবেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্রিটেনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী চনি ব্লেয়ারও এই সরকারে থাকবেন। হামাস জানিয়েছে, তারা এই প্রস্তাব পুরোপুরি মানতে নারাজ। ট্রাম্পের তদারকিতে সরকার নয়, বরং ইসালামিক ও আরব দেশগুলির সমর্থিত কোনও প্যালেস্তাইনপন্থী সংস্থার হাতে তারা গাজা সামলানোর দায়িত্ব দেবে। হামাস অস্থায়ী আন্তর্জাতিক শক্তি মানতে নারাজ।

গাজায় ভবিষ্যতে হামাসের কোনও ভূমিকা থাকবে না-

ট্রাম্পের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে গাজার সরকারে হামাসের কোনও ভূমিকা থাকবে না, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে। হামাস এই প্রস্তাবে নারাজ। তারা নিজেদের প্যালেস্তাইনের জাতীয় কাঠামো হিসাবে দেখে। অসামরিকীকরণ নিয়ে কোনও কথা না বললেও, আগে বহুবার এই প্রস্তাব খারিজ করেছে হামাস।

Follow Us