AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sheikh Hasina: অন্তরালে থেকেই দেশের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ নিলেন হাসিনা

Sheikh Hasina: ইউনূসকে সরাসরি বার্তা দেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, "ইউনূসের বিরুদ্ধে  বলব, নিজের দেশের লোককেই উপেক্ষা করা বন্ধ করুন।" পাশাপাশি তিনি বলেন দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা, ইউনূস প্রশাসনকে অপসারণ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করুন। তিনি বলেন, "ফ্যাসিবাদী-জঙ্গি শক্তি আমাকে ষড়যন্ত্র করে জোর করে উৎখাত করেছে। আমি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়েছিলাম।"

Sheikh Hasina: অন্তরালে থেকেই দেশের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ নিলেন হাসিনা
শেখ হাসিনা এবং মুহম্মদ ইউনূসImage Credit: Getty Image
| Edited By: | Updated on: Jan 23, 2026 | 8:37 PM
Share

ঢাকা:  তিনি অবসর নিতে চেয়েছিলেন!  যে সময়ে তিনি দেশ থেকে উৎখাত হয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সেটাই তাঁর শেষ ‘টার্ম’ ছিল। ২৪ ঘণ্টা আগে শেখ হাসিনার ছেলে জয় এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে তেমনটাই বার্তা দিয়েছিলেন। তাতে প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে এবার আওয়ামি লিগের ভবিষ্যৎ কী? এবার প্রকাশ্যে এল তাঁর একটা অডিয়ো বার্তা! অন্তরালে থেকেই স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শপথ নিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফ্যাসিস্ট ইউনূস প্রশাসনকে উৎখাতের ডাক দিলেন। বার্তা দিলেন ইউনূসকেও। কীভাবে তাঁকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছিলেন ইউনূস ও সহযোগীরা। অন্তরালে থেকেই শেখ হাসিনা বললেন, “এখন গোটা দেশ একটা বিশাল কারাগারে পরিণত হয়েছে। একটা ভ্যালি অফ ডেথ্-এ পরিণত হয়েছে। এখন আমার দেশবাসীর ধ্বংসের মধ্যে বেঁচে থাকার লড়াই চালাচ্ছেন।”

গত বছরের জুলাইয়ের গোড়ায় শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং তার পরবর্তী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানের জেরে গত ৫ অগস্ট বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের সরকারের পতন হয়। বাংলাদেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা।  কিন্তু তাঁর দেশছাড়ার পিছনে যে একটা বৃহৎ ষড়যন্ত্র কাজ করেছে, তা আগেও বলেছেন তিনি। আবারও অন্তরালে থেকে সেই একই বার্তা দিলেন। বললেন, “২০২৪ সালের ৫ অগস্ট একটা সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী-জঙ্গি শক্তি আমাকে ষড়যন্ত্র করে জোর করে উৎখাত করেছে।”

এ প্রসঙ্গেই ইউনূসকে সরাসরি বার্তা দেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, “ইউনূসের বিরুদ্ধে  বলব, নিজের দেশের লোককেই উপেক্ষা করা বন্ধ করুন।” পাশাপাশি তিনি বলেন দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা, ইউনূস প্রশাসনকে অপসারণ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করুন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদী-জঙ্গি শক্তি আমাকে ষড়যন্ত্র করে জোর করে উৎখাত করেছে। আমি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়েছিলাম। সেদিন থেকে দেশ সন্ত্রাসের কবলে।” দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “গণতন্ত্র ধূলোয় মিশে গিয়েছে। দেশের মেয়ে-নারীরা নির্যাতিত। জীবন সম্পত্তির কোনও নিরাপত্তা নেই। আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। বিচারব্যবস্থা এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।”

তবে গোটা এই পরিস্থিতির জন্য কেবল ইউনূস প্রশাসনকেই দায়ী করেননি তিনি। এর পিছনে বাংলাদেশের সম্পত্তি লুঠের জন্য বিদেশি শক্তির মদতকেও তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “বাংলাদেশ এখন একটি অনির্বাচিত ক্ষমতা দ্বারা পরিচালিত, যেখানে সন্ত্রাস চলছে। বাংলাদেশের ভূমি-সম্পদ লুঠের জন্য বিদেশি শক্তি সক্রিয়।” এই ‘অন্ধকার যুগ’ থেকে দেশকে পুনরুদ্ধারের জন্য দেশবাসীকে আরও একবার মুক্তিযুদ্ধের শপথ নেওয়ার ডাক দিলেন হাসিনা।