Ukraine porn industry: রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ চালাতে এবার পর্নোগ্রাফির বাজার খুলে দিচ্ছে জেলেনস্কি সরকার
Ukraine Porn Industry Legalisation: ইউরোপের অনেক দেশে পর্নোগ্রাফি বৈধ হলেও ইউক্রেনে তা নিষিদ্ধ। এখানে পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত আইন বেশ কড়া। বিশেষত শিশু পর্নোগ্রাফির ঘটনায় অপরাধ প্রমাণ হলে ১০ বছর পর্যন্ত জেল খাটতে হয় ইউক্রেনে। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭ বছর জেল। তবে ওদেশে পর্নোগ্রাফি বিষয়টা যে একেবারে দূরের গ্রহ, তা কিন্তু নয়। লুকিয়ে-চুরিয়ে পর্নোগ্রাফির বেশ রমরমা ব্যবসাই চলে।

কিয়েভ: যুদ্ধ চালাতে টাকা দরকার। ইউক্রেন তাই খুলে দিচ্ছে পর্নোগ্রাফির বাজার। দিন চারেক আগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছিল, আইন বদল করে ইউক্রেনে পর্নোগ্রাফির বাজার খুলে দিতে চলেছে জেলেনস্কি সরকার। সেই খবরে এবার কার্যত সিলমোহর পড়ল। ইউক্রেনের আইনমন্ত্রী ডেনেস মাললোভ জানালেন, পর্নোগ্রাফি ইন্ড্রাস্ট্রি আর নিষিদ্ধ থাকছে না। ইউক্রেনের মন্ত্রিসভা পর্নোগ্রাফির উপর সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সম্মতি দিলেই পুরনো আইন বাতিল। নতুন আইন চালু। ইউক্রেন সরকার বলছে, নতুন আইনে শিশুদের এবং হিংসাত্মক কন্টেন্ট ছাড়া বাকি সব পর্নোগ্রাফি শ্যুট করা যাবে।
ইউরোপের অনেক দেশে পর্নোগ্রাফি বৈধ হলেও ইউক্রেনে তা নিষিদ্ধ। এখানে পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত আইন বেশ কড়া। বিশেষত শিশু পর্নোগ্রাফির ঘটনায় অপরাধ প্রমাণ হলে ১০ বছর পর্যন্ত জেল খাটতে হয় ইউক্রেনে। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭ বছর জেল। তবে ওদেশে পর্নোগ্রাফি বিষয়টা যে একেবারে দূরের গ্রহ, তা কিন্তু নয়। লুকিয়ে-চুরিয়ে পর্নোগ্রাফির বেশ রমরমা ব্যবসাই চলে।
গত সাড়ে ৪ বছরের বেশি সময় ধরে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে এই মুহূর্তে জেলেনস্কিদের জিভ বেরিয়ে যাওয়ার অবস্থা। গত মাসে ইউক্রেনের সেনা ৫ হাজার অত্যাধুনিক ড্রোন কেনার প্রস্তাব দিয়েছে। এদিকে ইউক্রেনের ভাঁড়ারে টাকাই নেই। তা হলে ইউক্রেন যুদ্ধটা টানবে কী করে? জব্বর একটা বুদ্ধি বের করেন ওদেশের বিরোধী দলনেতা ইয়োরাস্লাভ জেলেজনিয়াক। তিনিই জেলেনস্কিকে বলেন, পর্ন ইন্ড্রাস্ট্রি বৈধ করা হলে বছরে আড়াই কোটি ডলার আয় হতে পারে। এই টাকায় ৩০ হাজার ড্রোন কেনা যাবে। বিরোধী দলনেতার বুদ্ধিটা জেলেনস্কির মনে ধরে।
ইউক্রেনের আইনমন্ত্রীর দাবি, “আমাদের দেশে পর্নোগ্রাফি নিষিদ্ধ হলেও সেটা খাতায়- কলমে। আমাদের পুলিশ ঘুষ নিয়ে পর্ন ব্যবসা চালানোয় ছাড় দেয়। পর্ন ছবি থেকে যাঁরা আয় করেন, তাঁরা কোনও ট্যাক্সও দেন না। আমাদের হাতে এমন কোনও অস্ত্র নেই, যাতে এটা পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে। তাই পর্ন ব্যবসার উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াই ভালো।”
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত বছর যুদ্ধের বাজারেও ইউক্রেনের ৫টি ওয়েবসাইট পর্ন কন্টেন্ট থেকে ২৮ কোটি ডলার আয় করেছে। সবমিলিয়ে পর্ন ব্যবসায় কোটি কোটি ডলারের লেনদেন। যুদ্ধের আবহে তাতে আইনি বৈধতা দিচ্ছে জেলেনস্কি প্রশাসন।
