AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Donald Trump-Netanyahu: ভোট বড় বালাই! জিততে নেতানিয়াহুর ‘ট্রাম্প কার্ড’ ইরান হামলা, আর হারার ভয়ে চুপ ডোনাল্ড!

US Mid Term Election: মিড টার্ম নির্বাচনে সরাসরি প্রেসিডেন্টের নির্বাচন হয় না। আমেরিকার কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস ও সেনেটের আসনগুলিতে ভোট হয়। অর্থাৎ, এই নির্বাচনে ট্রাম্প নিজে জিতবেন বা হারবেন না। বরং তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারে কি না, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

Donald Trump-Netanyahu: ভোট বড় বালাই! জিততে নেতানিয়াহুর 'ট্রাম্প কার্ড' ইরান হামলা, আর হারার ভয়ে চুপ ডোনাল্ড!
ফাইল চিত্র।Image Credit: PTI
| Updated on: Nov 02, 2026 | 2:56 PM
Share

ওয়াশিংটন: মাথার উপরে নির্বাচন। একে ফলাফলের চিন্তা, তার উপরে আবার বাইরে থেকে আসছে চাপ! রিপোর্টের দাবি, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপরে চাপ তৈরি করছেন ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করার জন্য। ট্রাম্প কি এই প্রস্তাবে রাজি হবেন?

আগামিকাল, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আমেরিকায় মিড টার্ম নির্বাচন। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু চান, এই ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন ইরানের উপরে পুনরায় হামলা শুরু করে আমেরিকা। যদিও রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প চান তেহরানের সঙ্গে বর্তমানে কূটনৈতিক স্তরে যে আলোচনা চলছে, তা আরও কিছুদিন জারি থাকুক।

সূত্রের খবর, গত শনিবার দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ফোনে কথা হয়। তখন ইরানের সঙ্গে দর কষাকষি ও সামরিক অভিযান শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্প নিজেও রবিবার জানিয়েছেন যে নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে।

কেন নেতানিয়াহু ইরানের উপরে হামলা করাতে চাইছেন?

ইজরায়েলে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা কোনও দলই পায়নি। নেতানিয়াহু যদি সরকার গঠন করতে চান, তাহলে কোনও একটি দলের সঙ্গে হাত মেলাতে হবেই। সেই আবহে আরব গ্রুপকে চাপে ফেলতে নেতানিয়াহু চাইছেন ইরানের উপরে যেন হামলা করে আমেরিকা।

প্রসঙ্গত, আমেরিকার মিড টার্ম নির্বাচন নিয়ে যথেষ্ট চাপে রয়েছেন ট্রাম্প। রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমেছেন প্রচারে। তাঁর দাবি, এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা এমন ফল করবেন, যা দেখে চমকে যাবে গোটা বিশ্ব। কিন্তু একাধিক জনমত সমীক্ষায় ট্রাম্পের দলের জন্য উদ্বেগের ইঙ্গিত মিলছে।

৩১ অক্টোবর ওহাইওর রিপাবলিকান প্রার্থীদের হয়ে ভার্চুয়াল প্রচারে ট্রাম্প বলেন, “এই নির্বাচন তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিড টার্ম নির্বাচন। আমাকে যেন ব্যালট পেপারে থাকা প্রার্থী হিসাবেই মনে করে ভোট দেন।”

ট্রাম্পের দাবি, তিনি যখন নির্বাচনে থাকেন, তখন ভোটারদের উপস্থিতি অনেক বেশি হয়। তাঁর কথায়, এবার এমন ভোটের সংখ্যা দেখা যাবে, যা অনেককেই অবাক করে দেবে।

মিড টার্মে কি জিততে পারবেন ট্রাম্প?

মিড টার্ম নির্বাচনে সরাসরি প্রেসিডেন্টের নির্বাচন হয় না। আমেরিকার কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস ও সেনেটের আসনগুলিতে ভোট হয়। অর্থাৎ, এই নির্বাচনে ট্রাম্প নিজে জিতবেন বা হারবেন না। বরং তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারে কি না, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

বর্তমানে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে রিপাবলিকানদের আসন রয়েছে ২১৮, ডেমোক্র্যাটদের হাতে রয়েছে ২১৪। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ডেমোক্র্যাটদের চারটি আসন বাড়াতে হবে। অন্যদিকে, সেনেটে রিপাবলিকানদের আসন ৫৩ এবং ডেমোক্র্যাটদের ৪৭ আসন আছে। সেনেটের নিয়ন্ত্রণ পেতে ডেমোক্র্যাটদের আরও চারটি আসন বাড়াতে হবে।

সমীক্ষায় কী ইঙ্গিত?

২৬ অক্টোবর প্রকাশিত রয়টার্স (Reuters) জনমত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে:

  •  ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন রয়েছে ৩২ শতাংশ।
  •  কংগ্রেস নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন রয়েছে ৪৭ শতাংশ।
  •  রিপাবলিকানদের পক্ষে সমর্থন রয়েছে ৩৬ শতাংশ।

অর্থাৎ, জনমত সমীক্ষায় ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে রয়েছেন। তবে এই সমীক্ষা চূড়ান্ত ফলের নিশ্চয়তা দেয় না।

নির্বাচনের ফল না মানার ইঙ্গিতও দিয়েছেন ট্রাম্প?

২৭ অক্টোবর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেছেন যে নির্বাচন সৎ ও স্বচ্ছ হলে তিনি ফলাফল মেনে নেবেন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

Follow Us