Balochistan: বালোচিস্তানে কলকাঠি নাড়ছে চিন? বড় ভারতের উপর চাপ বাড়িয়ে ফেব্রুয়ারিতে কী পরিকল্পনা লালফৌজের?
Chinese troops: বালোচ নেতা মীর ইয়ার বালোচ চিঠিতে লিখেছেন, এই মুহূর্তে বালোচিস্তানে জোরদার প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে এবং বালোচ স্বাধীনতা যোদ্ধাদের আরও শক্তিশালী করে তুলতে না পারলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বালোচিস্তানে সেনা মোতায়েন করে দখলদারি কায়েম করবে চিন।

কলকাতা: বালোচিস্তানে পাক সেনার অত্যাচার, বালোচ জাতীয়তাবাদীদের পাকিস্তান থেকে আলাদা হওয়ার চেষ্টা, সবই তো চলছে। বালোচিস্তান কোনওদিনও পাকিস্তানের ছিল না। ইতিহাস বলছে, দেশীয় রাজ্য হিসাবে জোর করে তাদের পাকিস্তানে জুড়ে দেওয়া হয়। আর এই বালোচরা বরাবরই ভারতের বন্ধু। এরই মধ্যে জানা গেল খুবই এক ইন্টারেস্টিং ডেভেলপমেন্টের কথা। বালোচিস্তানের বিদ্রোহ থামাতে পাক সেনা যে নাকানিচোবানি খাচ্ছে তা এখন গোটা বিশ্বই জেনে গিয়েছে। এরকম একটা অবস্থায় শরিফ সরকার সেখানে চিনের সেনাকে ডেকে আনছে। খবরটা জানিয়েছেন বিশিষ্ট বালোচ নেতা মীর ইয়ার বালোচ। শুধু তাই নয়। তিনি আমাদের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে একটা চিঠিও দিয়েছেন। তা নিয়েই নতুন করে শুরু হয়ে গিয়েছে চাপানউতোর।
বালোচ নেতা মীর ইয়ার বালোচ চিঠিতে লিখেছেন, এই মুহূর্তে বালোচিস্তানে জোরদার প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে এবং বালোচ স্বাধীনতা যোদ্ধাদের আরও শক্তিশালী করে তুলতে না পারলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বালোচিস্তানে সেনা মোতায়েন করে দখলদারি কায়েম করবে চিন। এমন যদি হয় তাহলে বালোচিস্তানের ৬ কোটি মানুষের জন্য বটেই, ভারতের জন্যও তা বিপজ্জনক হবে।
মীর ইয়ার বালোচ বলেছেন যে ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই তাঁদের ভূখণ্ডে লালফৌজ ঢুকতে শুরু করবে। ফলে, ভারতীয় সেনা এখনই তাদের সাহায্য করতে আসুক। সরাসরি ভারতকে পাকিস্তানের ওপর হামলা চালানোর অনুরোধ করেছেন তিনি। তাই বালোচিস্তানে চিনা সেনার ঢোকা নিয়ে চাপানউতোর যে পুরোদমেই চলছে, আর চলবে তা বলার অপেক্ষা নেই। এদিকে ভারত সরকার এখনও এনিয়ে অফিসিয়ালি কিছু জানায়নি। তবে দিল্লির কাছে বালোচ নেতার এই অনুরোধটা কিন্তু যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত জল কোনদিকে গড়ায়।
