Infosys: কতক্ষণ চলে ফ্যান-এসি, কেন কর্মীদের বাড়ির ইলেকট্রিক বিল জানতে চাইল ইনফোসিস?
Work From Home: বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক এই সফটওয়্যার সংস্থায় তিন লক্ষেরও বেশি কর্মী কাজ করেন। সংঘরাজকা জানান, ইনফোসিস নির্ধারিত সময়ের আগেই কার্বন নিউট্রালিটি অর্জন করেছে, ২০০৮ সাল থেকে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার ৫৫ শতাংশ কমিয়েছে। ইনফোসিসের কর্মীদের দাবি, এই সমীক্ষার উদ্দেশ্য মূলত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা ও সেই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

নয়া দিল্লি: করোনা পরিস্থিতি কেটে গেলেও এখনও বেশ কিছু সংস্থা বাড়ি থেকে কাজের সুযোগ দিচ্ছে, যার মধ্যে অন্যতম ইনফোসিস। এবার বাড়ি থেকে কাজ করা সেই কর্মীদের কাছে ইলেকট্রিক বিল চাইল সংস্থা। কর্মীদের কয়েক মিনিট সময় নিয়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে অনুরোধ করা হয়েছে সংস্থার তরফ থেকে। সেখানেই বিদ্যুৎ বিল চাওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি একটি ইমেইলে ইনফোসিসের চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার (CFO) জয়েশ সংঘরাজকা কর্মীদের জানান যে সংস্থা বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে একটি সমীক্ষা শুরু করেছে। দীর্ঘ সময় ধরেই এই সমীক্ষা করে থাকে ইনফোসিস। তবে এবার বাড়ি থেকে কাজের ক্ষেত্রে বিদ্যুতের ব্যবহারের বিষয়টি সেই সমীক্ষার আওতায় এনেছেন তাঁরা।
ইনফোসিসের CFO কর্মীদের বলেছেন, “হাইব্রিড পদ্ধতিতে কাজ আমাদের কাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠায়, পরিবেশের উপর প্রভাব এখন শুধু অফিস ক্যাম্পাসেই সীমাবদ্ধ নেই, তা আমাদের বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছে। বাড়ি থেকে কাজ করার সময় যে বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়, সেটিও ইনফোসিসের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে ভূমিকা রাখে।” বিদ্যুৎ ব্যবহারের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক এই সফটওয়্যার সংস্থায় তিন লক্ষেরও বেশি কর্মী কাজ করেন। সংঘরাজকা জানান, ইনফোসিস নির্ধারিত সময়ের আগেই কার্বন নিউট্রালিটি অর্জন করেছে, ২০০৮ সাল থেকে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার ৫৫ শতাংশ কমিয়েছে। ইনফোসিসের কর্মীদের দাবি, এই সমীক্ষার উদ্দেশ্য মূলত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা ও সেই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
সমীক্ষায় প্রশ্ন করা হয়েছে, বাড়িতে ফ্যান, এসি, হিটার কতক্ষণ চলে, আলোর ব্যবহার কতটা হয়, সৌরশক্তি ব্যবহার করা হয় কি না, অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার করা হয় কি না। কর্মীদের কাছে আরও জানতে চাওয়া হয়েছে যে তারা বাড়িতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কোনও নতুন বা উদ্ভাবনী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না।
