Chiranjeet Chakraborty: ছাব্বিশের নির্বাচনে প্রার্থী হবেন? মনের কথা জানিয়ে দিলেন চিরঞ্জিত
Chiranjeet Chakraborty on assembly election: তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, যদি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের প্রার্থী হতে অনুরোধ করেন? প্রশ্ন শুনে চিরঞ্জিত বলেন, "এত দূরদর্শী তিনি। বলা ভালো দূরদর্শিনী। তাই মনে হয়, তাঁকে কি অস্বীকার করা যায়? মনে হয়, করা যায় না। অনুরোধ করতে পারি। তিনি বোঝেন, কাকে প্রয়োজন, কতটুকু প্রয়োজন।"

কলকাতা: তিনি অভিনেতা। ২০১১ সাল থেকে আবার তৃণমূলের বিধায়কও। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও কি তাঁকে ভোট ময়দানে প্রার্থী হতে দেখা যাবে? মনের কথা জানিয়ে দিলেন বারাসতের তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কী বললেন বছর সত্তরের এই অভিনেতা-বিধায়ক?
রাজ্যে পালাবদলের সময় ২০১১ সালে বারাসত থেকে জয়ী হন চিরঞ্জিত। এরপর ২০১৬ এবং ২০২১ সালেও এই আসন থেকে জিতে বিধানসভায় পা রেখেছেন তিনি। আর ছাব্বিশের ভোটের আগে টিভি৯ বাংলাকে চিরঞ্জিত বললেন, “তিনটে টার্ম হয়ে গিয়েছে। এবার ফোর্থ টার্ম আসছে। কিন্তু, এখন আমার যেটা মনে হচ্ছে, আমার যে এনার্জিটা ছিল, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে ক্ষমতা ছিল, সেটা কমছে। আমি অত জোরে আর দৌড়তে পারি না। সিনেমায় আর ফাইট করতে পারি না। ফলে আমার রোল কমছে। ছবিতেও ভূমিকা পাল্টে যাচ্ছে। সেই পরিবর্তনটা আমি মেনে নিতে চাইছি। সেজন্য আমি চাইছি, রাজনীতি যেহেতু খুবই পরিশ্রমের জায়গায়। এটা বড় কাজের জায়গা। সেটা আমি কখনই প্রায় করতে পারি না। তাই, এখানে যদি আর না থাকি, ভালো হয়।”
তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, যদি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের প্রার্থী হতে অনুরোধ করেন? প্রশ্ন শুনে চিরঞ্জিত বলেন, “এত দূরদর্শী তিনি। বলা ভালো দূরদর্শিনী। তাই মনে হয়, তাঁকে কি অস্বীকার করা যায়? মনে হয়, করা যায় না। অনুরোধ করতে পারি। তিনি বোঝেন, কাকে প্রয়োজন, কতটুকু প্রয়োজন।” একইসঙ্গে তিনি জানান, “আমি রাজনীতিতে আসতেই চাইনি। যা পেয়েছি যথেষ্ট।” রাজনীতিতে দুর্নীতি নিয়ে তাঁর বক্তব্য, “দুর্নীতি সব জায়গাতেই রয়েছে। সবাই বিপথগামী হচ্ছে না। তবে কিছু কিছু মানুষ বিপথগামী হচ্ছে।”
চিরঞ্জিতের মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “চিরঞ্জিতবাবুর এটা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মতো। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর বলেন, আর থাকব না। আর ভোট এলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে ঘুরঘুর করেন। মনে মনে ভাবেন, একবার ডাকিলেই এমএলএ হব। তুমি এমএলএ হবে কি না, সেটা তুমি সিদ্ধান্ত নাও। তুমি যখন বুঝতে পারছ, তুমি ব্যর্থ। তখন ছেড়ে দাও। মানুষকে বঞ্চিত করছ কেন? এসব নাটক।”
