SIR in Bengal: লাঠি উঁচিয়ে BLO-র বাড়ির ঘেরাও, হিয়ারিংয়ের নোটিসে উত্তেজনা শীতলকুচিতে
Cooch Behar: স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার স্থায়ী নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও প্রায় সাড়ে চারশো জনের নামে হিয়ারিং নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় আতঙ্ক ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে। এর প্রতিবাদেই এদিন সকলে একত্রিত হয়ে বিএলও-র বাড়ির সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

শীতলকুচি: এসআইআর-এ হিয়ারিংয়ের নামে ভোটারদের হয়রানির অভিযোগ তুলে সরব রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষও ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। এবার একটি বুথে ৪৫০ জনকে হিয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানোয় লাঠি উঁচিয়ে বিএলও-র বাড়ি ঘেরাও করলেন ভোটাররা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহারের শীতলকুচিতে। নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন হিয়ারিংয়ের নোটিস পাওয়া ভোটাররা।
সোমবার শীতলকুচির ছোট শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট গদাই খোড়া এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়ে। হঠাৎ করে কয়েকশো ভোটারকে হিয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানোয় ক্ষুব্ধ হয়ে লাঠি হাতে স্থানীয় বাসিন্দারা বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-এর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার স্থায়ী নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও প্রায় সাড়ে চারশো জনের নামে হিয়ারিং নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় আতঙ্ক ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে। এর প্রতিবাদেই এদিন সকলে একত্রিত হয়ে বিএলও-র বাড়ির সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। তবে ওই এলাকার বিএলও মৌসুমি খাতুন জানান, ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন না তিনি।
অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা হাতেম তাই মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একই এলাকা থেকে এত মানুষের নাম হিয়ারিংয়ে কেন এসেছে? আমরা সবাই স্থায়ী নাগরিক। আবার কারও কারও নথিতে ছয় জনের লিঙ্কেজ দেখানো হচ্ছে। অথচ বাস্তবে তাঁদের পরিবারে ছয় জন সদস্যই নেই। এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়।”
এ বিষয়ে তৃণমূলের স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য হাসিনা খাতুন বিবি বলেন, “এভাবে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা একেবারেই ঠিক নয়। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখুক এবং দ্রুত সমাধান করুক।” ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। তবে, কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার কথা এখনও জানা যায়নি।
