Shamik Bhattacharya: ‘ওখানে বসে থাকলে হবে না’, জ্ঞানেশ কুমারকেই ‘একহাত’ নিলেন ক্ষুব্ধ শমীক
SIR in Bengal: শমীক যদিও এসআইআর নিয়ে বলতে গিয়ে সেই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধেই সুর চড়িয়েছেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের পক্ষ থেকে ১২ টি রাজ্যে ভোটার শুদ্ধিকরণ এর কাজ চলছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর প্রক্রিয়া শুরুর আগে থেকেই বিরোধিতা চলছে। আমরা যা বলব কমিশনকে বলব।”

কলকাতা: “মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বলেছি আপনি এ রাজ্যে আসুন। দিল্লিতে বসে থাকলে হবে না। এরাজ্যে এসে ঘুরে দেখুন।” সাংবাদিক বৈঠকে ঠিক এ ভাষাতেই কথা বলতে দেখা গেল বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপকি শমীক ভট্টাচার্যকে। এদিকে কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত আন-ম্যাপড ভোটারদের মধ্যে রাজ্যে বাদ পড়তে চলেছে প্রায় ১১ হাজার মানুষের নাম। যদিও চূড়ান্ত তালিকা পর্যন্ত সংখ্যাটা অনেকটাই বদলে যেতে পারে। এই সমস্ত মানুষেরা কোনও নথিই দেখাতে পারেনি। অন্যদিকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, গোটা রাজ্যেই এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি বিজেপিরও তুলোধনা করে চলেছেন। কিন্তু এখন হঠাৎ শমীকের মুখে এ কথা কেন?
শমীক যদিও এসআইআর নিয়ে বলতে গিয়ে সেই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধেই সুর চড়িয়েছেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের পক্ষ থেকে ১২ টি রাজ্যে ভোটার শুদ্ধিকরণ এর কাজ চলছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর প্রক্রিয়া শুরুর আগে থেকেই বিরোধিতা চলছে। আমরা যা বলব কমিশনকে বলব। কমিশনের দায়িত্ব ত্রুটি মুক্ত ভোটার তালিকা দেওয়ার।” এদিকে এদিনই আবার বাঁকুড়ায় ফর্ম ৭ (আপত্তি ফর্ম) ভর্তি এক গাড়িকে পাকড়াও করেন তৃণমূল কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, এই ফর্ম নিয়েই নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করছে বিজেপি। তা নিয়ে রাজনৈতিক আঙিনায় চাপানউতোর চলছে পুরোদমে।
শমীক বলছেন, “যখন এই পদ্ধতি চলছে দেখা যাচ্ছে ফর্ম ৭ অর্থাৎ ভোটার এর নামে কোন অভিযোগ থাকলে সব রাজনৈতিক দল বিরোধিতা করতে পারে। আমরাও করছি । বিএলওরা বলছে আমাদের নির্দেশ নেই। জমা নিচ্ছে না। বলছে ওপর থেকে নির্দেশ নেই। ওপরটা কে? আমরা ইসিকে বলছি এটা কি হচ্ছে? এটা দেখার কাজ কমিশনের। আমরা কাউর বিরুদ্ধে বলছি না এই পুরো দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সব কেন্দ্রে একই ঘটনা।” এরপরই খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এসআইআর প্রক্রিয়া চান না। আতঙ্কের মধ্যে ভোটারদের রেখে ভোট করতে চাইছে তৃণমূল। কিন্তু সেটা হবে না। আমরা দিল্লিতে যোগাযোগ করেছি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বলেছি আপনি এ রাজ্যে আসুন। দিল্লিতে বসে থাকলে হবে না। এরাজ্যে এসে ঘুরে দেখুন। কিভাবে বিলওরা বলতে পারে আমরা ফর্ম জমা নেব না?”
