তৈমুর এখন অতীত, দেড় লাখ টাকা মাইনে পাওয়া তার ন্যানির এখন কী পরিণতি হয়েছে?
Kareena Kapoor Khan-Taimur Nanny: সইফ আলি খান এবং করিনা কাপুর খানের ন্যানিকে মনে আছে? চোখে গোল চশমা, শ্যামবর্ণ, গোল মুখ এবং মমতাময়ী চেহারার সেই মহিলা সাবিত্রী। তৈমুরের জনপ্রিয়তার সঙ্গে-সঙ্গে সাবিত্রীকে নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয় মানুষের মনে। তিনি এখন আর তৈমুরের দেখভাল করেন না। জানতেন? তা হলে কী হল সাবিত্রীর পরিণতি?

বেবি সিটিং করে ইন্টারনেট কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের বড় ছেলে তৈমুর আলি খানের ন্যানি সাবিত্রী। খবরের শিরোনাম দখল করেছিল তাঁর মাস মাইনের অঙ্কটা। তৈমুরের দেখভাল করে মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মাইনে পেতেন সাবিত্রী। ‘সেলিব্রিটি ন্যানি’র তকমা পেয়েছেন তিনি। কেবল সইফ-করিনার পুত্রকে নয়, করিনার প্রাক্তন প্রেমিক শাহিদ কাপুরের সন্তানেরও দেখভাল করেছিলেন তিনি। তৈমুর অনেক বড় হয়ে গিয়েছে। এবার তাঁর ডাক পড়েছে দক্ষিণেও। সেখানকার এক সুপারস্টারের কন্যাকে কোলে-পিঠে মানুষ করছেন সাবিত্রী। কে সেই তারকা? কে তাঁর কন্যা, জানেন?
করিনা-সইফের পুত্র তৈমুর দেশের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা সন্তান। তাঁর মিষ্টি চেহারা এখন ভাইরাল। এতটাই ভাইরাল যে, তার আদলে তৈরি হয়েছে পুতুলও। তৈমুরকে নিয়ে মানুষের কৌতূহলের অন্ত ছিল না একটা সময়। তাঁকে সারাটাক্ষণই আগলে রাখতেন মাঝবয়সি এক মহিলা। চোখে গোল চশমা, শ্যামবর্ণ, গোল মুখ এবং মমতাময়ী চেহারার সেই মহিলা সাবিত্রী। তৈমুরের জনপ্রিয়তার সঙ্গে-সঙ্গে সাবিত্রীকে নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয় মানুষের মনে। তাঁকে নিয়ে গুগলে সার্চ বেড়েছিল বিপুল। সাবিত্রী নাকি দারুণ ভাল দেখভাল করতে পারেন বাচ্চাদের। ফলে তৈমুর বড় হতেই তাঁর ডাক পড়ে রামচরণের বাড়িতে। দক্ষিণী সুপারস্টার সদ্য বাবা হয়েছেন। রামচরণ এবং তাঁর স্ত্রী উপাসনা কোনিডেলার কন্যা ক্লিন কারা কোনিডেলাই এখন সাবিত্রীর ধ্যানজ্ঞান। কারাকে মিডিয়ার নজর থেকে বাঁচাতে তৎপর তার তারকা পিতা-মাতা। এই কাজটিও সাবিত্রী দারুণভাবে পালন করছেন। পিঙ্কভিলার রিপোর্ট অনুযায়ী, মহালক্ষ্মীর মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন রামচরণ এবং উপাসনা। সদ্যজাতিকাকে নিয়েই মন্দিরে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেখানেই দেখা যায়, তাঁদের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত সাবিত্রীও।
সাবিত্রীর মতো সেলিব্রিটি ন্যানিদের কীভাবে পাওয়া যায়? এর জন্য এজেন্সি রয়েছে। তারকা-সন্তানদের মানুষ করার জন্য তাঁদের অনেকগুলো বিষয়ে পারদর্শী হতে হয়। কেবল ডাইপার পাল্টানো, তেল মাখানো, খাওয়ানো নয়, সম্পূর্ণ চাইল্ড কেয়ারে প্রশিক্ষিত হতে হয়। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, তৈমুরের ন্যানি থাকার সময় মাসে দেড় লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেতেন সাবিত্রী। বাড়তি সময় ডিউটি করলে তাঁকে বাড়তি টাকা দিতেন করিনা এবং সইফ।
