Nandigram waiting room: যাত্রী প্রতীক্ষালয় যখন গোশালা, নন্দীগ্রামে সামনে এল তৃণমূলের ‘কীর্তি’
Passenger shelter turned cowshed in Nandigram: নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের জৌরির মোড় এলাকায় হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদ কর্তৃপক্ষের দ্বারা নির্মিত ওই সরকারি বিশ্রামাগার দখল করে গোশালা তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন এই নিয়ে এতদিন কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাননি। ফলে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ বাসের জন্য রাস্তাতেই অপেক্ষা করতে হত। প্রতীক্ষালয়ের ভিতরে কেউ ঢুকতে পারতেন না।

নন্দীগ্রাম: তিনটি রাস্তার সংযোগস্থলে যাত্রীদের জন্য প্রতীক্ষালয়। অবশ্য এতদিন কাউকে না বললে তিনি তা বুঝতেও পারতেন না। কারণ, যাত্রী প্রতীক্ষালয়ের সামনেটা সাদা পলিথিন দিয়ে ঢাকা। আর ভিতরে রয়েছে কয়েকটি গরু। যাত্রী প্রতীক্ষালয় হয়ে উঠেছিল গোশালা। এই ছবিই ধরা পড়ল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে। অভিযোগ, নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের মদতেই সরকারের যাত্রী প্রতীক্ষালয়কে গোশালা বানানো হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় বিজেপি কর্মী ও সাধারণ মানুষ এই নিয়ে সরব হন। গরু সরিয়ে যাত্রী প্রতীক্ষালয়কে পরিষ্কার করা হয়।
নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের জৌরির মোড় এলাকায় হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদ কর্তৃপক্ষের দ্বারা নির্মিত ওই সরকারি বিশ্রামাগার দখল করে গোশালা তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন এই নিয়ে এতদিন কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাননি। ফলে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ বাসের জন্য রাস্তাতেই অপেক্ষা করতে হত। প্রতীক্ষালয়ের ভিতরে কেউ ঢুকতে পারতেন না।
এদিন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপি কর্মীরা যাত্রী প্রতীক্ষালয়ের সামনের পলিথিন সরিয়ে দেন। প্রতীক্ষালয় থেকে গরুগুলিকে সরানো হয়। পরিষ্কার করা হয় যাত্রী প্রতীক্ষালয়। এই নিয়ে বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ মাইতি বলেন, “এই বিশ্রামাগারটি তিনটি রাস্তার সংযোগস্থলে রয়েছে। বিশ্রামাগারটিকে প্রভাব খাটিয়ে খাটাল করে রেখেছিল। ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্যরা গিয়ে তা দখলমুক্ত করেন।” এই নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে সিপিএম-ও। সিপিএমের জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য পরিতোষ পট্টনায়ক বলেন, “যখন তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল, তখন দল ও সরকারকে এক করে ফেলেছিল। ফলে সরকার যখন কিছু তৈরি করেছে, তখন সুফিয়ানবাবুরা তাকে খাটাল বানিয়ে ফেলেছিলেন।”
তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন এলাকায় শেখ সুফিয়ানের দাপটের কথা বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর পিছনে তাঁর মদত রয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে জানতে বার বার ফোন করা হলেও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি শেখ সুফিয়ানের।
