বিয়ের পর বদলেছে জীবন! অক্ষয় কুমারের গোপন রহস্য ফাঁস
বিরাজের মুখে এই সব কেমিক্যালের নাম শুনে কার্যত থতমত খেয়ে যান স্বয়ং অক্ষয় কুমার। বলিউডের অন্যতম ফিট অভিনেতা হয়েও অক্ষয় স্বীকার করে নেন যে, এই সব আধুনিক প্রসাধনী নিয়ে তাঁর জ্ঞান শূন্য। হাসতে হাসতে অভিনেতা বলেন, “ভগবানের কসম, আমি এসবের কিছুই জানি না। তুমি বিশ্বাস করবে না, আমি আজও কেবল শ্যাম্পু নিই আর মাথায় ঘষি। সেটুকুই যা একটু চুঁইয়ে গায়ে লাগে, ব্যাস! ওইটুকুই আমার রূপচর্চা।” অক্ষয়ের এই সারল্য শুনে স্টুডিওতে হাসির রোল ওঠে।

বিয়ের পর পুরুষের জীবনে ঠিক কতটা বদল আসে? দায়িত্ব বাড়ে, না কি আলমারির জায়গা কমে? ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর বিরাজ গেহলানির দাবি, বদলটা আসে বাথরুমে! অক্ষয় কুমারের জনপ্রিয় গেম শো ‘হুইল অফ ফরচুন’-এর সাম্প্রতিক এপিসোডে উঠে এল এমনই এক বিচিত্র তথ্য। যেখানে দেখা গেল, বিয়ের পর খাস মুম্বইয়ের ‘কুল ড্যুড’ বিরাজের রুটিন নাকি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নিয়াসিনামাইড আর স্যালিসাইলিক অ্যাসিড দিয়ে।
আসলে ‘হুইল অফ ফরচুন’-এর বিশেষ পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাঞ্জলি পাপনাই, যশরাজ মুখাটে এবং বিরাজ গেহলানি। সেখানেই আড্ডার ছলে বিরাজ ফাঁস করেন তাঁর দাম্পত্য জীবনের ‘স্কিনকেয়ার’ ট্র্যাজেডি। বিরাজ জানান, আগে তিনি জানতেনও না যে শরীরের আলাদা আলাদা অংশের জন্য আলাদা প্রসাধনী থাকতে পারে। এখন তাঁর স্ত্রী নাকি কপাল, চুল, কনুই এমনকি হাঁটুর জন্য পৃথক সাবান ও লোশন ব্যবহার করাচ্ছেন। বিরাজের কথায়, “এখন আমাকে রাতে শুতে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন মাখতে হয়! এমনকি ছোটবেলার পর এই প্রথম বিছানায় ওঠার আগে নিয়মিত পা ধোয়ার অভ্যাস করতে হয়েছে।”
বিরাজের মুখে এই সব কেমিক্যালের নাম শুনে কার্যত থতমত খেয়ে যান স্বয়ং অক্ষয় কুমার। বলিউডের অন্যতম ফিট অভিনেতা হয়েও অক্ষয় স্বীকার করে নেন যে, এই সব আধুনিক প্রসাধনী নিয়ে তাঁর জ্ঞান শূন্য। হাসতে হাসতে অভিনেতা বলেন, “ভগবানের কসম, আমি এসবের কিছুই জানি না। তুমি বিশ্বাস করবে না, আমি আজও কেবল শ্যাম্পু নিই আর মাথায় ঘষি। সেটুকুই যা একটু চুঁইয়ে গায়ে লাগে, ব্যাস! ওইটুকুই আমার রূপচর্চা।” অক্ষয়ের এই সারল্য শুনে স্টুডিওতে হাসির রোল ওঠে।
তবে নিছক মজা নয়, আড্ডার শেষে অক্ষয় তাঁর জীবনের এক সত্য়ি ফাঁস করেন। ২০০১ সালে টুইঙ্কল খান্নার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন অভিনেতা, তাঁর মতে সঙ্গী জীবনে এলে কেবল শৃঙ্খলাই আসে না, আসে এক ধরণের স্থিরতা। তাঁর মতে, “বউ ঘরে এলে সত্যিই সব বদলে যায়। জীবনযাত্রায় একটা সেটলমেন্ট আসে। ঘরে ভালো খাবার তৈরি হওয়া শুরু হয়। আমরা যে বলি ঘরে লক্ষ্মী এসেছে, সেটা আসলে আক্ষরিক অর্থেই সত্যি।”
অক্ষয় কুমারের এই আড্ডা এখন সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। একদিকে যখন পুরুষদের গ্রুমিং নিয়ে সচেতনতা বাড়ছে, তখন অক্ষয়ের মতো মেগাস্টারের এই সাধারণ জীবনযাপন আর বিউটি প্রোডাক্ট নিয়ে তাঁর অজ্ঞতা নেটিজেনদের বেশ মজা দিয়েছে। প্রসঙ্গত, অক্ষয়কে আগামীতে দেখা যাবে ‘ভূত বাংলা’ সিনেমায়। আসন্ন ছবির অপেক্ষায় এখন রয়েছেন ভক্তরা।
