ধর্মেন্দ্রকে মরণোত্তর ‘পদ্মবিভূষণ’, কোন আক্ষেপের কথা শোনালেন স্ত্রী হেমা?
৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ঘোষিত এই রাষ্ট্রীয় সম্মানে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তাঁর সহধর্মিনী তথা বিশিষ্ট অভিনেত্রী হেমা মালিনী। তবে সঙ্গে এটাও জানান, বেঁচে থাকতেই ধর্মেন্দ্রকে এই সম্মান দেওয়া উচিত ছিল।

হিন্দি চলচ্চিত্রে দীর্ঘ ছয় দশকের অনবদ্য অবদান এবং অগণিত মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকার স্বীকৃতিস্বরূপ কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে মরণোত্তর ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ঘোষিত এই রাষ্ট্রীয় সম্মানে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তাঁর স্ত্রী ও অভিনেত্রী হেমা মালিনী। তবে সঙ্গে এটাও জানান, বেঁচে থাকতেই ধর্মেন্দ্রকে এই সম্মান দেওয়া উচিত ছিল।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বলেন, “আমি ওঁর জন্য অত্যন্ত আনন্দিত। অভিনেতা হিসেবে ওঁর যে অবদান, তাতে এই সম্মান ওঁর প্রাপ্য ছিল। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের শ্রীবৃদ্ধিতে কাজ করেছেন।” ধর্মেন্দ্রর অভিনয় জীবনের স্মৃতিচারণ করে হেমা আরও বলেন, “তিনি এমন কিছু চমৎকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন যা মানুষ আজও পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। তিনি দর্শকদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। একাধারে তিনি একজন অসাধারণ অভিনেতা এবং একজন ভালো মানুষ ছিলেন। নিজের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য তিনি বহু তরুণকে অনুপ্রাণিত করেছেন।”
উল্লেখ্য, গত ২৪ নভেম্বর দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৯০ বছর পূর্ণ হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে চিরবিদায় নেন বলিউডের এই ‘হি-ম্যান’। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে’ ছবির মাধ্যমে তাঁর পথচলা শুরু।1 এরপর ‘অনপড়’, ‘বন্দিনী’, ‘অনুপমা’ থেকে শুরু করে ‘শোলে’, ‘ধর্মবীর’, ‘চুপকে চুপকে’ এবং ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’-এর মতো কালজয়ী ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তাঁর দীর্ঘ কেরিয়ারে তিনি ৩০০-রও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। বড় পর্দায় তাঁকে শেষবার দেখা গিয়েছিল শ্রীরাম রাঘবনের ‘ইক্কিস’ ছবিতে।
