‘বাড়াবাড়ি করলে পুলিশে যাব!’ কাকে হুঁশিয়ার করলেন জাভেদ আখতার?
গীতিকার জাভেদ আখতারকেই এবার ‘সচ্চা মুসলিম’ বানিয়ে দিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)! নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মাথায় ফেজ টুপি এবং চোখে সুরমা লাগিয়ে মসজিদে নমাজ পড়তে যাচ্ছেন জাভেদ। এই ভিডিও দেখে একদিকে যেমন তাঁর অনুরাগীরা তাজ্জব, অন্যদিকে নিন্দুকরা টিপ্পনী কাটতে শুরু করেছেন।

আজীবন নিজেকে ‘নাস্তিক’ বলে পরিচয় দিয়ে এসেছেন। ধর্মের নামে ভণ্ডামির বিরুদ্ধে বরাবরই সোচ্চার তিনি। সেই প্রবীণ গীতিকার জাভেদ আখতারকেই এবার ‘সচ্চা মুসলিম’ বানিয়ে দিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)! নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মাথায় ফেজ টুপি এবং চোখে সুরমা লাগিয়ে মসজিদে নমাজ পড়তে যাচ্ছেন জাভেদ। এই ভিডিও দেখে একদিকে যেমন তাঁর অনুরাগীরা তাজ্জব, অন্যদিকে নিন্দুকরা টিপ্পনী কাটতে শুরু করেছেন। তবে বিষয়টি নজরে আসতেই তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন জাভেদ।
ভাইরাল ওই ভিডিওটিকে ‘আবর্জনা’ বলে দেগে দিয়েছেন জাভেদ আখতার। এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে কড়া ভাষায় তিনি লিখেছেন, “একটি ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে যেখানে আমাকে টুপি পরে থাকতে দেখা যাচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে, আমি নাকি অবশেষে ঈশ্বরের শরণাপন্ন হয়েছি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।” তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁর মানহানি করার চেষ্টার বিরুদ্ধে তিনি ইতিমধ্যেই সাইবার সেলে অভিযোগ জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
ভিডিওটিতে দাবি করা হয়েছিল, সম্প্রতি মুফতি নদবীর সঙ্গে তর্কের পর জাভেদ আখতার নাকি নিজের ভুল বুঝতে পেরে ধার্মিক হয়ে গিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরেই ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে এক বিতর্কসভায় জাভেদ বলেছিলেন, “ঈশ্বর যদি সর্বশক্তিমান হন এবং সর্বত্র বিরাজ করেন, তবে তিনি গাজাতেও আছেন। সেখানে বোমা হামলায় শিশুদের ছিন্নভিন্ন দেহ দেখেও তিনি যদি নিশ্চুপ থাকেন, তবে সেই ঈশ্বরে আমি বিশ্বাস রাখি কী করে?” তাঁর এই স্পষ্টবাদিতা নিয়ে তখন কম চর্চা হয়নি।
প্রযুক্তির অপব্যবহার করে জাভেদের মতো একজন যুক্তিবাদী মানুষকে যেভাবে ধার্মিক প্রমাণের চেষ্টা চালানো হয়েছে, তা নিয়ে সিনেমা মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রবীণ গীতিকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, প্রযুক্তির কারসাজি করে তাঁর আদর্শকে টলানো সম্ভব নয়। তিনি আগেও যেমন নাস্তিক ছিলেন, আজও তেমনই আছেন।
