Bhabadighi: পুজোর আগেই ভাবাদিঘিতে গড়াবে রেলের চাকা?
Bhabadighi Rail Project: মনোজ খাঁ জানান, এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে রেল সর্বতোভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ভাবাদিঘির ওপর রেলব্রিজ তৈরির জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ইতিমধ্যেই গোঘাট পর্যন্ত চারজোড়া ট্রেনের সংখ্যা যে বাড়ানো হয়েছে তাও আলাদা করে উল্লেখ করেন তিনি।

গোঘাট: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। চলতি বছরের পুজোর আগেই ভাবাদিঘির উপর দিয়ে ছুটবে ট্রেন। এর ফলে রেলের পর্যটন মানচিত্রে একই সুতোয় গেঁথে যাবে তারকেশ্বর, কামারপুকুর, জয়রামবাটি, বিষ্ণুপুর। সম্প্রতি তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেল প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখতে গোঘাট পরিদর্শনে এসে এমনটাই আশ্বাস দিলেন পূর্ব রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
পূর্ব রেলের চিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার (CAO) মনোজ খাঁর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এদিন গোঘাট রেল স্টেশনের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন। এরপর তাঁরা সরাসরি চলে যান বহু বিতর্কিত ভাবাদিঘি এলাকায়। সেখানে রেলের ব্রিজের বর্তমান পরিস্থিতি দেখার পাশাপাশি জমি আন্দোলনকারীদের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন তাঁরা। পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলটি কামারপুকুর রেলস্টেশনে গিয়ে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে।
মনোজ খাঁ জানান, এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে রেল সর্বতোভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ভাবাদিঘির ওপর রেলব্রিজ তৈরির জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ইতিমধ্যেই গোঘাট পর্যন্ত চারজোড়া ট্রেনের সংখ্যা যে বাড়ানো হয়েছে তাও আলাদা করে উল্লেখ করেন তিনি। তবে কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আরও কিছুটা সহযোগিতা আশা করেছেন রেলের আধিকারিকরা। অন্যদিকে পরিদর্শন চলাকালীন জমি আন্দোলনকারীরা রেলের আধিকারিকদের কাছে তাঁদের দাবিও ফের একবার তুলে ধরেন। রেল প্রকল্পের জন্য ভাবাদিঘি এলাকার পরিবেশের যেন কোনো ক্ষতি না হয় সে কথাও উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে ভাবাদিঘি এলাকায় একটি হল্ট স্টেশন তৈরি করার কথাও বলেন। রেলের লোকজন আন্দোলনকারীদের এই দাবিগুলি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। সব ঠিক থাকলে, আসন্ন শারদীয়া উৎসবের আগেই এই রুটে নতুন রেল পরিষেবার স্বাদ পেতে পারেন সাধারণ মানুষ।
