AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bankura: বিয়ের পরও বাপেরবাড়িতে তরুণী, ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর সামনে এল ভয়ঙ্কর সত্য

Man allegedly killed daughter: বাঁকুড়া সদর থানার শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা ভবানী মালের বছর দুই আগে বিয়ে হয় বিকনা গ্রামে। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বিয়ের মাস তিনেকের মধ্যে বাপেরবাড়িতে ফিরে আসেন ভবানী মাল। তারপর থেকে বাপেরবাড়ির দুটি ঘরের মধ্যে একটি ঘর দখল করে বসবাস শুরু করেন। অপর ঘরে চার সন্তান ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন ভবানীর বাবা ঈশান মাল।

Bankura: বিয়ের পরও বাপেরবাড়িতে তরুণী, ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর সামনে এল ভয়ঙ্কর সত্য
কী বলছেন মৃত তরুণীর বাবা?Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 02, 2026 | 2:50 PM
Share

বাঁকুড়া: বিয়ে দেওয়ার পরও প্রথম পক্ষের মেয়ে স্বামীর ঘর করেননি। বিয়ের পরও বাপেরবাড়ির একটি ঘর দখল করে বাস করছিলেন। অবশেষে সেই ঘর খালি করতে মেয়েকেই ইট দিয়ে থেঁতলে খুন করে বস্তায় ভরে জঙ্গলের ভেতর কুয়োয় ফেলে দিলেন বাবা। ঘটনাটি বাঁকুড়ার সদর থানার শ্যামপুর গ্রামের। ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর সম্প্রতি ওন্দার দিগশুলির জঙ্গলের ভেতর থেকে ওই তরুণীর দেহ উদ্ধার করে ওন্দা থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্তে নেমে গ্রেফতার করা হয় মৃতার বাবাকে।

বাঁকুড়া সদর থানার শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা ভবানী মালের বছর দুই আগে বিয়ে হয় বিকনা গ্রামে। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বিয়ের মাস তিনেকের মধ্যে বাপেরবাড়িতে ফিরে আসেন ভবানী মাল। তারপর থেকে বাপেরবাড়ির দুটি ঘরের মধ্যে একটি ঘর দখল করে বসবাস শুরু করেন। অপর ঘরে চার সন্তান ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন ভবানীর বাবা ঈশান মাল। শ্যামপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী হেলনা শুশুনিয়া গ্রামে একাধিক বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে নিজের একার সংসার চালাতেন বছর বাইশের ভবানী। গত ১৪ ডিসেম্বর আচমকাই নিজের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান ভবানী। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৩ দিন পর বাঁকুড়া সদর থানায় মেয়ের নিখোঁজ ডায়েরি করেন ভবানীর বাবা ঈশান। এদিকে গত ৩১ ডিসেম্বর স্থানীয় মানুষ পার্শ্ববর্তী ওন্দা থানার দিগশুলির জঙ্গলে কাঠ কুড়াতে গিয়ে পচা গন্ধ পেয়ে একটি কুয়োর মধ্যে বস্তা ভাসতে দেখেন। তাঁরাই ওন্দা থানার পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ কুয়ো থেকে ওই বস্তা তুলে বস্তার ভেতর থেকে ভবানী মালের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে।

এরপরই খুনের মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করে ওন্দা থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এই ঘটনার মূল চক্রী মৃতার বাবা। মেয়ে একটি ঘর একা দখল করে থাকায় অপর একটি ছোট ঘরে দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী ও চার ছেলে মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতে সমস্যা হচ্ছিল বাবা ঈশানের। বারবার মেয়েকে ঘরটি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি। কিন্তু মেয়ে ঘর না ছাড়ায় তাঁকে ইট দিয়ে থেঁতলে খুন করে দেহ বস্তাবন্দী করে জঙ্গলের মধ্যে কুয়োতে ফেলে মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার গল্প ফেঁদে বসেছিলেন ঈশান। এদিকে এই ঘটনা সামনে আসতেই তাঁকে গ্রেফতার করে শুক্রবার বাঁকুড়া জেলা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ। মেয়েকে ইট দিয়ে থেঁতলে খুনের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার পর ঈশান বলেন, “ইট দিয়ে মেরে মেয়েকে মেরেছি।” তবে মেয়েকে মারতে কেউ তাঁকে প্ররোচনা দেননি বলে জানান ধৃত ব্যক্তি।