অভিষেকের ঠোঁটে চুমু! কোন গোপন কাণ্ড ফাঁস করলেন জন আব্রাহম?
সমালোচনা, কটাক্ষ- সবই এসেছে। কিন্তু জনের কৌশল ছিল একেবারে আলাদা। তিনি নিজেকে তুলনা করেন চোখে ঠুলি বাঁধা ঘোড়ার সঙ্গে শুধু সামনে তাকিয়ে দৌড়েছেন। কোনও প্রচারক রাখেননি তিনি। তাঁর বিশ্বাস, এতে হয়তো তিনি ঝুঁকিতে পড়তে পারতেন, কিন্তু মানুষ তাঁর সততাতেই তাঁকে চিনেছেন।

বলিউডের নায়কদের নাম উঠলেই শুরু হয় তুলনা। কে এগিয়ে, কার ছবি বেশি চলল, কার পারিশ্রমিক কত! কিন্তু এই দৌড়ের মধ্যে একেবারেই থাকতে চান না জন আব্রাহাম। তাঁর সোজাসাপ্টা কথা—“আমি প্রতিযোগিতা করি না, আমি একসঙ্গে কাজ করায় বিশ্বাসী।” আর এই আলোচনাতেই জন জানান অভিষেক বচ্চনকে চুমু খেয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি এক মাস্টারক্লাসে নিজের পথচলার কথা বলতে গিয়ে জন ফিরে গিয়েছিলেন ২০০৩ সালে। তখন বলিউডে ‘আউটসাইডার’ প্রায় ছিল না বললেই চলে। তাঁর কথায়, সেই সময়ে তিনি সবচেয়ে বেশি সমালোচিত অভিনেতাদের একজন ছিলেন। ইন্ডাস্ট্রিতে বাইরের মানুষ হিসেবে টিকে থাকা মোটেই সহজ ছিল না। তিনি মনে করিয়ে দেন, তাঁর আগে মূলত শাহরুখ খান এবং অক্ষয় কুমারই বাইরের জগত থেকে এসে বড় সাফল্য পেয়েছিলেন।
সমালোচনা, কটাক্ষ সবই এসেছে। কিন্তু জনের কৌশল ছিল একেবারে আলাদা। তিনি নিজেকে তুলনা করেন চোখে ঠুলি বাঁধা ঘোড়ার সঙ্গে, অর্থাৎ বাধায় পিছিয়ে না পড়ে শুধু সামনে তাকিয়ে দৌড়েছেন তিনি। কোনও প্রচারক রাখেননি। তাঁর বিশ্বাস, এতে হয়তো তিনি ঝুঁকিতে পড়তে পারতেন, কিন্তু মানুষ তাঁর সততাতেই তাঁকে চিনেছেন।
সবচেয়ে চর্চিত অংশ অবশ্য সহ-অভিনেতাদের নিয়ে তাঁর মন্তব্য। জন জানান, পুরুষ সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে তিনি অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ। কাজ করেছেন বরুণ ধাওয়ান, অভিষেক বচ্চনদের সঙ্গে। হেসে বলেন, “আমি তো অভিষেককে চুমুও খেয়েছি!”—এই মন্তব্যে মজার সুর থাকলেও তাঁর বক্তব্য পরিষ্কার, সম্পর্কটা প্রতিযোগিতার নয়, সহযোগিতার। তাঁর মতে, দুই অভিনেতা একে অন্যের কাজকে সম্মান করলে ছবির ফলও ভালো হয়।
জন মনে করেন, পুরুষ সহ-অভিনেতারা তাঁকে সব সময় সমর্থন করেন। তিনিও তাঁদের একইভাবে দেখেন। লড়াইয়ের বদলে নায়কদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতেই স্বচ্ছন্দবোধ করেন অভিনেতা।
কাজের দিক থেকে বেশ ব্যস্ততার মধ্য় দিয়ে যাচ্ছেন অভিনেতা। সম্প্রতি ‘তেহরান’ ছবিতে বিশেষ অফিসার রাজীব কুমারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।
