AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘দ্রুত ডেলিভারি করার চাপ পড়ছে কাদের উপর…’, কী নিয়ে সোচ্চার কমলেশ্বর?

মানুষের জীবন ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে ফুড ডেলিভ্যারি অ্যাপের উপর। তবে এমন সব অ্যাপে কাজের পদ্ধতি যে ডেলিভারির সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জীবনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, তা চর্চায় উঠে আসছে। সাংসদে এই নিয়ে আলোচনা চোখে পড়েছে। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন ডাক্তার-পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়।

'দ্রুত ডেলিভারি করার চাপ পড়ছে কাদের উপর...', কী নিয়ে সোচ্চার কমলেশ্বর?
| Edited By: | Updated on: Jan 02, 2026 | 8:16 AM
Share
মানুষের জীবন ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে ফুড ডেলিভ্যারি অ্যাপের উপর। তবে এমন সব অ্যাপে কাজের পদ্ধতি যে ডেলিভারির সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জীবনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, তা চর্চায় উঠে আসছে। সাংসদে এই নিয়ে আলোচনা চোখে পড়েছে। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন ডাক্তার-পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়।
সোশ্যাল মিডিয়াতে কমলেশ্বর লিখলেন, ”আমাদের অনেকেই, উচ্চ, উচ্চমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত গ্রাহকরা, আজকাল বাড়ি বসে অনলাইনে অর্ডার করে আমাদের পছন্দের খাবারদাবার, মদ-সিগারেট থেকে শুরু করে যাবতীয় প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর অনেক কিছুই বাড়ি বসে পেয়ে যাই, অক্লেশে। হ্যাঁ, একটু বেশি দাম দিয়েই। তাতে হয়তো সেসব ব্র্যান্ড বা দোকানের ক্রেতা সংখ্যা ও লাভের পরিমাণও বাড়ে। এবং যেহেতু এই তাড়াহুড়োর পৃথিবীতে আমাদের অপেক্ষা করার ধৈর্য ও সময় কমছে, আমরা সেসব চটজলদি পেতেও চাই। বিক্রেতাও, ক্রেতাকে সন্তুষ্ট রাখার জন্যে চান সবকিছুই তাড়াতাড়ি ডেলিভারি করা হোক। কিন্তু, এই দ্রুত সবকিছু ডেলিভারি করার চাপটা পড়ছে কাদের উপর ?”
পরিচালক যোগ করেছেন, ”হেভি ট্র্যাফিক, অগুনতি ট্র্যাফিক সিগন্যাল, ট্র্যাফিক পুলিশের নিয়মকানুন ও বকাবকি বা ফাইন এবং ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট পেরিয়ে, প্রাণের দায়ে, দুচাকায় ভর করে ছোটেন ডেলিভারি পার্সনস -যাঁদের আমরা চিনি গিগ-শ্রমিক হিসেবে (সুকান্ত ভট্টাচার্যের ও সলিল চৌধুরীর আজকের রানার)। তাঁরা ৩১ ডিসেম্বর (বোধহয়, সবচেয়ে বেশি লেনদেনের অন্যতম দিনে) ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন তাঁদের মজুরি বৃদ্ধি ও জীবনের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতে। তাঁরা আমাদেরই সহনাগরিক। সেই দাবি ন্যায্য না অন্যায্য, তা নিয়ে ভাবার সময় এটাও বোধহয় আমাদের ভাবা দরকার, দুনিয়া, দেশ এবং রাজ্যজুড়ে নেমে আসা অর্থনৈতিক সংকটের দিনে অচিরেই আমাদেরই পরিবারের কেউ কেউ হয়তো এই পেশা বেছে নিতে পারেন। তাই তাঁদের প্রতি সহমর্মিতা বজায় থাকুক।”