AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘…মিথ্যে কথা বলছে’, কাঞ্চনের ক্ষমাপ্রার্থনার ভিডিয়ো দেখেই চাঁচাছোলা কণীনিকা

Tollywood: কাঞ্চন মল্লিক বিতর্কে তোলপাড় সমাজমাধ্যমের পাতা। সোমবার গভীর রাতে ফেসবুকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি ক্ষমা চেয়ে নেন বিধায়ক তথা অভিনেতা। যদিও তাঁর এই ভিডিয়োকেও তীর্যক দৃষ্টিতে দেখছেন অনেকে। ইনস্টাগ্রামের পাতায় দেবলীনা দত্ত পোস্ট করে তিনি জানিয়ে দেন যে কাঞ্চনের এই ক্ষমা প্রার্থনার ভিডিয়োতেও তিনি রাজনীতির রঙ দেখেছেন। তাঁর ওই ভিডিয়োর সমালোচনা করেছেন অনেকেই।

'...মিথ্যে কথা বলছে', কাঞ্চনের ক্ষমাপ্রার্থনার ভিডিয়ো দেখেই চাঁচাছোলা কণীনিকা
| Edited By: | Updated on: Sep 03, 2024 | 8:23 PM
Share

কাঞ্চন মল্লিক বিতর্কে তোলপাড় সমাজমাধ্যমের পাতা। সোমবার গভীর রাতে ফেসবুকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি ক্ষমা চেয়ে নেন বিধায়ক তথা অভিনেতা। যদিও তাঁর এই ভিডিয়োকেও তীর্যক দৃষ্টিতে দেখছেন অনেকে। ইনস্টাগ্রামের পাতায় দেবলীনা দত্ত পোস্ট করে তিনি জানিয়ে দেন যে কাঞ্চনের এই ক্ষমা প্রার্থনার ভিডিয়োতেও তিনি রাজনীতির রঙ দেখেছেন। তাঁর ওই ভিডিয়োর সমালোচনা করেছেন অনেকেই। সেই সঙ্গে কাঞ্চনের স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের ক্ষমা চেয়ে নেওয়ার ঘটনা অনেকেরই বিশ্বাসযোগ্য ঠেকছে না। এরই মধ্যে নতুন একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে অভিনেতা তথা তৃণমূল বিধায়ককে বার্তা দিলেন কণীনিকা বন্দোপাধ্যায়। অভিনেত্রী মানতে নারাজ যে এই আন্দোলনের জন্য সরকারি হাসপাতালের পরিসেবা ব্যহত হচ্ছে। উল্টে অভিনেতা জানিয়েছেন, সিনিয়র চিকিৎসকেরা প্রাণপাত করে দিচ্ছেন রোগীদের সেবা করা জন্য। তাঁর মা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি। তাই প্রতি দিন হাসপাতাল আর বাড়ি করতে হচ্ছে তাঁকে। সেই জন্য তাঁর এই বিষয়ে ধারণা রয়েছে।

কণীনিকা বলেন,”আমার মা গত ৬ মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি। অনেক হাসপাতালে ঘুরেছি, আপতত মা একটা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি। তার মধ্যেই তিলোত্তমার এই ঘটনাটা ঘটে। আমার-বাবা-কাকা আমি, সরকারি হাসপাতালে রোজ যাতায়াত করি। জুনিয়র ডাক্তাররা প্রতিবাদ করছে। যারা বলছে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা হচ্ছে না, তারা মিথ্যে কথা বলছে। আমার মাকে যে সিনিয়র ডাক্তার দেখছেন, তিনি মধ্যরাতে এসেও দেখে যাচ্ছেন।”

তিনি আরও যোগ করেন,”এই ঘটনা ঘটার পরেও আমি ওপিডি-তে দাঁড়িয়ে আমার মায়ের চিকিৎসা করিয়েছি। তাই যে তথ্য দেওয়া হচ্ছে মানুষ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাইনি, সেটা ভুল। আমরা তো সাধারণ মানুষ। তাই এমএলএ, এপমি তাদের তো এমনি সোর্স বেশি। আমাদের তো সোর্সই নেই। আমরা তো বেডের জন্য তাদেরই ফোন করি। কিন্তু তারা যখন সাধারণ মানুষকে ভুল তথ্য দেয়, সেটা ঠিক নয়। আমি প্রতিদিন হাসপাতালে যাই, এই মাত্র সেখান থেকেই আসছি। তোমার ভিডিয়োটা দেখে মনে হল বলা উচিত, সিনিয়র ডাক্তাররা যে পরিমাণ খাটছে….জুনিয়র ডাক্তাররা ধর্নায় নেমেছে, ঠিক কাজ করছে।”

Follow Us