দক্ষিণের ভোটযুদ্ধে চাঁদের হাট: বুথে বুথে সুপারস্টাররা, ভোট দিয়ে কী বার্তা দিলেন রজনী-কমলরা?
অভিনেত্রী ভারালক্ষ্মী সরোতকুমার নিজের ছবি পোস্ট করে সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন অনুরাগীদের দিকে—“আমরা ভোট দিয়েছি, আপনি দিয়েছেন তো?” পিছিয়ে ছিলেন না পরিচালক প্রভুদেবা এবং অভিনেতা ধনুশও। আলওয়ারপেটের স্কুলে ভোট দিয়ে ধনুশ বুঝিয়ে দিলেন নাগরিক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব। কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ভোট দেন জনপ্রিয় অভিনেতা অজিত কুমারও।

গ্রীষ্মের প্রখর তাপ উপেক্ষা করেই তামিলনাড়ুর ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন দক্ষিণী সিনেমার দাপুটে তারকারা। বুধবার সকাল থেকেই চেন্নাইয়ের বিভিন্ন বুথে দেখা গেল মেগাস্টারদের ভিড়। কেবল ভোট দেওয়াই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় কালির দাগ লাগানো আঙুলের ছবি পোস্ট করে সাধারণ নাগরিকদের বুথমুখী হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তাঁরা।
রাজনীতিবিদ ও অভিনেতা কমল হাসান এদিন মেয়ে শ্রুতি হাসানকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছন। ভোট দেওয়ার পর এক্স হ্যান্ডেলে তামিল আবেগকে উসকে দিয়ে তিনি লেখেন, “ভোটদান আমাদের কর্তব্য ও গর্বের বিষয়। ওঠো তামিল! জয়ী হও তামিল!” অন্যদিকে, মেগাস্টার রজনীকান্ত চেন্নাইয়ের স্টেলা মারিস স্কুলে ভোট দিয়ে হাসিমুখে ক্যামেরার সামনে পোজ দেন। তাঁর শান্ত মেজাজ আর কালি লাগানো আঙুল নিমিষেই ভাইরাল হয়ে যায় নেটপাড়ায়।
வாக்களிப்பது கடமை, உரிமை, பெருமை. தமிழே எழுவாய். தமிழே வெல்வாய். pic.twitter.com/AVyoVX3Tv9
— Kamal Haasan (@ikamalhaasan) April 23, 2026
অভিনেত্রী ভারালক্ষ্মী সরোতকুমার নিজের ছবি পোস্ট করে সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন অনুরাগীদের দিকে—“আমরা ভোট দিয়েছি, আপনি দিয়েছেন তো?” পিছিয়ে ছিলেন না পরিচালক প্রভুদেবা এবং অভিনেতা ধনুশও। আলওয়ারপেটের স্কুলে ভোট দিয়ে ধনুশ বুঝিয়ে দিলেন নাগরিক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব। কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ভোট দেন জনপ্রিয় অভিনেতা অজিত কুমারও।
পরিচালক রাধাকৃষ্ণান প্রার্থীবান ভোট দিয়ে এক গভীর বার্তা শেয়ার করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই নির্বাচনে যেন শুধু প্রার্থীরা নন, সাধারণ মানুষ প্রকৃত অর্থেই জয়ী হয়। অন্যদিকে, পরিচালক কেন করুণা সপরিবারে ভোট দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সেই মুহূর্ত ভাগ করে নেন। তরুণ অভিনেতা-গায়ক ধ্রুব বিক্রমকেও দেখা গেল নাগরিক দায়িত্ব পালন করতে।
সকাল থেকেই দক্ষিণের প্রতিটি তারকার সমাজমাধ্যম হ্যান্ডেল যেন একেকটি সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপনে পরিণত হয়েছে। তাঁদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিতভাবেই সাধারণ ভোটারদের উৎসাহ বাড়াবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
