Tanishk Bagchi YRF Saiyaara Controversy: কোটি কোটি টাকা কামাল সাইয়ারা! অথচ একবছরেও ৮ লাখ টাকাই পাননি সুরকার তানিস্ক?
Saiyaara Title Track: বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক তানিষ্ক বাগচি (Tanishk Bagchi) আর হিন্দি সিনেমার ঐতিহ্যবাহী প্রযোজনা সংস্থা যশ রাজ ফিল্মস (YRF)-এর মধ্যকার হঠাৎ আইনি ও আর্থিক সংঘাত এখন বলিপাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সুপারহিট গান ‘সাইয়ারা’র সুরকার তানিষ্ক বাগচির দাবি, তাঁর ৮ লাখ টাকার রয়্যালটি বকেয়া রয়েছে। পাল্টা যশ রাজ ফিল্মস কী জানিয়েছে?

সঙ্গীত পরিচালক তানিষ্ক বাগচি (Tanishk Bagchi) আর প্রযোজনা সংস্থা যশ রাজ ফিল্মস (YRF)-এর মধ্যকার হঠাৎ আইনি ও আর্থিক সংঘাত এখন বলিপাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বক্স অফিসে ঝড় তোলা ‘সাইয়ারা’ (Saiyaara) ছবির টাইটেল ট্র্যাকটি শ্রোতাদের মন জয় করে নিয়েছে। বছর ঘুরলেও এখনও অনেকে লুপে শুনতে থাকেন এই গান। যে গানটি কোটি কোটি মানুষ শুনছেন, সেটি বানিয়ে নিজের পকেটে নাকি এক পয়সাও থাকেনি সুরকারের! এমনকি গানটির জন্য প্রাপ্য ৮ লাখ টাকার রয়্যালটিও এখনো আটকে রাখা হয়েছে বলে সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত শনিবার, যখন ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ আবেগঘন বার্তা পোস্ট করেন তানিষ্ক বাগচি। সেখানে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, এই ছবির কাজ করার জন্য ওয়াইআরএফ তাঁকে যে অর্থ দিয়েছিল, তার পুরোটাই লাইভ মিক্সিং ও মিউজিক প্রোডাকশনে খরচ হয়ে যায়। বিশাল এই হিট গান থেকে তাঁর ব্যক্তিগত উপার্জন নাকি শেষ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছিল শূন্যে! এরপরেও রয়্যালটি স্টেটমেন্ট অনুযায়ী তাঁর ৮ লাখ টাকা বকেয়া রয়ে গিয়েছে। কাজের শ্রম ও সময়ের নিরিখে এই পরিমাণ অর্থকে চিনেবাদামের সঙ্গে তুলনা করে তানিষ্ক স্পষ্ট জানান, এই অভিজ্ঞতা ইন্ডাস্ট্রির প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে। তিনি আরও জানান, এখন থেকে তিনি কেবল সেইসব নির্মাতা ও প্রযোজকদের সঙ্গেই কাজ করবেন, যাঁরা শিল্পীর সৃজনশীলতা ও সততাকে সম্মান জানান। যদিও পুরো পোস্টটির শেষে তিনি পরিচালক মোহিত সুরি ও গীতিকার আরশাদ কামিলের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
সুরকারের এই বিস্ফোরক বার্তা নেটপাড়ায় আসতেই বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করেনি প্রযোজনা সংস্থা ওয়াইআরএফ। এক অফিসিয়াল বিবৃতিতে তারা তানিষ্কের আনা সমস্ত দাবি একবাক্যে খারিজ করে দেয়। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘সাইয়ারা’র টাইটেল ট্র্যাকটি তানিষ্ক বাগচি, ফাহিম আবদুল্লাহ এবং আরসলান নিজামী, এই তিনজনের যৌথ সৃষ্টি। চুক্তিপত্র অনুযায়ী গানটির রয়্যালটি তিনজনের মধ্যেই সমানভাবে ভাগ করার নিয়ম এবং চুক্তি মেনেই সময়মতো সমস্ত পাওনা মেটানো হয়েছে। সংস্থার দাবি, কোনও বকেয়া বাকি নেই।
তবে গল্পের মোড় ঘোরে ঠিক এর পরেই! ওয়াইআরএফ-এর পাল্টা বিবৃতি সামনে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তানিষ্ক নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে সেই বিতর্কিত পোস্টটি সম্পূর্ণ মুছে ফেলেন। হঠাৎ কেন পোস্টটি মুছে ফেলা হল, তা নিয়ে সুরকার নিজে আর নতুন করে মুখ না খুললেও, বি-টাউনের অন্দরে কিন্তু সুর আর টাকার এই মেলবন্ধন না হওয়া নিয়ে গুঞ্জন থামছেই না।
