Lemon Water: ওজন ঝরাতে গিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো? এই পানীয় খাওয়ার আগে সাবধান
Side Effects: সকালে জিমে যাওয়ার আগে খালি পেটে খাচ্ছেন লেবুর জল। ঈষদুষ্ণ এবং মধু মেশানো। ওজন ঝরাতে ও ইমিউনিটি বাড়াতে এই লেবুর জল আদৌ কি কোনও কাজ দিচ্ছে? লেবুর মধ্যে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এই পুষ্টি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে।

পুজোর আগে যেন-তেন প্রকারে রোগা হতে হবে। কমাতে হবে কোমরের মাপ। ঝরাতে হবে এক্সট্রা ক্যালোরি। এই সিদ্ধান্ত থেকেই জিমে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন। আর সকালে জিমে যাওয়ার আগে খালি পেটে খাচ্ছেন লেবুর জল। ঈষদুষ্ণ এবং মধু মেশানো। ওজন ঝরাতে ও ইমিউনিটি বাড়াতে এই লেবুর জল আদৌ কি কোনও কাজ দিচ্ছে? লেবুর মধ্যে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এই পুষ্টি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। কিন্তু প্রতিদিন খালি পেটে লেবুর জল খেলে শরীরের কী ক্ষতি হবে পারে জানেন? এমনও হতে পারে আপনার ওজন কমল না, উল্টে শারীরিক সমস্যা আরও বেড়ে গেল।
দাঁতের ক্ষয়
খালি পেটে লেবুর জল খেলে দাঁতের ক্ষতি হয়। লেবুর রসের মধ্যে অ্যাসিডিক উপাদান রয়েছে। এটি দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করে। অত্যধিক পরিমাণে লেবুর জল খাওয়ার ফলে দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে যায়।
ডিহাইড্রেশন
খালি পেটে লেবুর জল খেলে দেহে তরলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। লেবুর রসে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসকরবিক অ্যাসিড রয়েছে। এর জেরে ঘন ঘন প্রস্রাব হয় এবং শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। এতে কিডনিতে চাপ সৃষ্টি হয় এবং ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয়।
হাড়ের ক্ষয়
খালি পেটের লেবুর জল পান করলে হাড়ের ক্ষতি হতে পারে। খালি পেটে লেবুর জল পান করলে হাড়ের মধ্যে থাকা তরল বা ফ্লুইড শুকিয়ে যায়। এর জেরে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে একটু চোট বা আঘাতেই হাড় ভেঙে যেতে পারে।
প্রস্রাবের সমস্যা
লেবুর জল মূত্রবর্ধক, অর্থাৎ, এই পানীয় খেলে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। এতে কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বদহজম
সাধারণত লেবুর রসে থাকা ভিটামিন সি হজম ক্ষমতা ও মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে। কিন্তু আপনার যদি অ্যাসিড রিফ্লাক্স, গ্যাস-অম্বলের সমস্যা থাকে তাহলে খালি পেটে লেবুর জল না খাওয়াই ভাল। এতে কিন্তু বদহজমের সমস্যা আরও বাড়বে।
অত্যধিক পরিমাণে লেবুর জল না খাওয়াই ভাল। ওজন কমানোর জন্য লেবুর জল খেতে পারেন। কিন্তু পুষ্টিবিদের পরামর্শ ছাড়া এই পানীয় খাওয়া উচিত নয়। এছাড়া লেবুর জল খাওয়ার আগে ও পরে কোনও দুগ্ধজাত খাবার খাবেন না।
Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কোনও ওষুধ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
