Corona Outbreak: গতকালের তুলনায় ১০ শতাংশ কমল সংক্রমণ, কিছুটা স্বস্তি দৈনিক মৃত্যুতে
India Corona Cases: গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৮৩০ জন।
নয়া দিল্লি: উৎসবের মরশুমে আরও কমল দেশের সংক্রমণ। আরও একদিন মিলল স্বস্তির খবর। গতকালের তুলনায় বেশ খানিকটা নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ (Corona)। অল্প কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে (India) নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৮৩০ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৪ হাজার ৩১৩ জন। এদিকে, করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৪ হাজার ৩১৩ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫৫ হাজার ৮৪২ জন।
চলতি সপ্তাহে দেশে উত্তোরোত্তর বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। যথেষ্ঠ আতঙ্ক বাড়িয়েছিল গোটা দেশে। তবে গতকালের তুলনায় সামান্য স্বস্তি দিয়ে কিছুটা কমল মৃত্যু। একদিনে ৪৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে দেশে।
এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ রয়েছে কেরলে। এদিন নতুন করে প্রায় ৭ হাজার ৪২৭ জনের সংক্রমণের হদিশ মিলেছে শরীরে। মৃত্যু হয়েছে ৩৫৮ জনের। এরপরই রয়েছে মহারাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ৬১৬ জনের। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। মহারাষ্ট্রের পরে রয়েছে কর্নাটক। সেই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪৭ । গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। আর তামিলনাড়ুতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২১ জন। মূলত দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি যেমন, কেরল, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গনা এবং অন্ধ্র প্রদেশ সংক্রমণের নিরিখে এগিয়ে।
তবে উত্তর প্রদেশের মতো বড় রাজ্য নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। করোনা বুলেটিন অনুযায়ী সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১৯ জন। রাজধানী দিল্লিতেও আক্রান্তের সংখ্যা খানিকটা নিয়ন্ত্রণে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ জন। আবার মিজ়োরামের মতো ছোটো রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুই। মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের।
পিছিয়ে নেই উৎসবমুখর বাংলাও। প্রতিদিনই সংক্রমণের যা রিপোর্ট মিলছে, হাজার ছুঁইছুঁই। গত দু’দিনে করোনায় (Covid19) মৃত্যুর সংখ্যায় সামান্য লাগাম পরানো গিয়েছিল। শনিবার আবারও খসে পড়ল সে আগল। বাংলায় একদিনেই করোনার বলি হলেন ১৩ জন। এই নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৯ হাজার ১২৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় এই রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮০ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছে ৮৮০ জন। সুস্থতার হার ৯৮.২৮ শতাংশ। পজিটিভিটি রেট ২.০৮ শতাংশ। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৭ হাজার ১৩১টি।