Bangladesh Update: ভোটের পরেই চিকেনস নেকে বাড়তে পারে বিপদ? বাংলাদেশে ‘নীতি বদলের’ ইঙ্গিত আওয়ামী নেতার
Former Minister on India-Bangladesh Relation: এদিন হাছান মাহমুদ বলেন, 'গড়পেটা নির্বাচনের মধ্য়ে দিয়ে যদি কোনও সরকার সেখানে তৈরি হয়, তার উপর ভরসা রাখা কঠিন রয়েছে।' উত্তর-পূর্ব ভারত, বিশেষ করে চিকেনস নেক নিয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী মন্তব্য সরকারি নীতিতে পরিণত হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁর। তবে প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রীর মতে, 'এই ধরনের হুমকির মোকাবিলা করতে ভারত ভাল ভাবেই জানে।'

নয়াদিল্লি: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের প্রায় দেড় বছরের অধিক সময় কাটিয়ে নির্বাচন হতে চলেছে পদ্মাপাড়ে। কিন্তু ক্ষমতায় যেই আসুক না কেন, ভারতের জন্য তা উদ্বেগ ও বিপদের বলেই মত বাংলাদেশের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী তথা আওয়ামী লিগের নেতা হাছান মাহমুদের।
শনিবার সন্ধ্য়ায় দিল্লির প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করেন হাছান মাহমুদ। তিনি ছাড়াও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লিগের ক্ষমতাচ্যুত সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও শীর্ষ নেতারা। বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে মুখ খুলতে দেখা যায় আওয়ামীর ওই শীর্ষ নেতাকে। এছাড়াও প্রশ্ন তোলা হয় জুলাই আন্দোলন নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনের প্রকাশিত ‘হাসিনা-বিরোধী’ রিপোর্ট নিয়েও।
এদিন হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গড়পেটা নির্বাচনের মধ্য়ে দিয়ে যদি কোনও সরকার সেখানে তৈরি হয়, তার উপর ভরসা রাখা কঠিন রয়েছে।’ উত্তর-পূর্ব ভারত, বিশেষ করে চিকেনস নেক নিয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী মন্তব্য সরকারি নীতিতে পরিণত হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁর। তবে প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রীর মতে, ‘এই ধরনের হুমকির মোকাবিলা করতে ভারত ভাল ভাবেই জানে।’
জুলাই গণঅভ্য়ুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের উপর ভয়াবহ ভাবে ‘হাসিনার নির্দেশে পুলিশ-প্রশাসন’ হামলা চালিয়েছিল বলেই অভিযোগ বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের। এই মানবতাবিরোধী কার্যকলাপের মামলায় শেখ হাসিনাকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। তবে দিল্লিতে উপস্থিত আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের মতে, এই মর্মে রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রকাশিত ‘হিংসার রিপোর্ট’ পক্ষপাতদুষ্ট। আওয়ামী নেতাদের কথায়, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জ যে রিপোর্ট তৈরি করেছিল, তা পক্ষপাতদুষ্ট। ইউনূস সরকারের আধিকারিকরা ওই রিপোর্ট তৈরি করেছেন। আওয়ামী লিগের মন্ত্রী-নেতা কারওর বক্তব্যই সেখানে নেই।’ তাই এই মর্মে রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে একটি প্রতিবাদ চিঠি পেশ করা হবে বলেই জানিয়েছেন তাঁরা।
