গলছে বরফ, ব্রিকসে যোগ দিতে ভারতে আসতে পারেন জিনপিং

ভারত (India) ও চিনের (China) মধ্যে কূটনৈতিক বৈঠকের ফলেই শান্ত হয়েছে সীমান্ত। এর মধ্যেই দেশে হতে চলা ব্রিকস সামিটে (BRICS summit) তাঁদের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানাল চিন।

  • TV9 Bangla
  • Published On - 15:41 PM, 23 Feb 2021
গলছে বরফ, ব্রিকসে যোগ দিতে ভারতে আসতে পারেন জিনপিং
ফাইল চিত্র

নয়া দিল্লি: লাদাখ থেকে সেনা সরছে। ভারত (India) ও চিনের (China) মধ্যে কূটনৈতিক বৈঠকের ফলেই শান্ত হয়েছে সীমান্ত। এর মধ্যেই দেশে হতে চলা ব্রিকস সামিটে (BRICS summit) তাঁদের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানাল চিন। তুঙ্গে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দেশে আসার জল্পনাও। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামিটে যোগ দিতে চলতি বছরের শেষ অর্ধেই দেশে আসতে পারেন চিনা প্রেসিডেন্ট।

এ বিষয়ে চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ব্রিকসে সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বেজিং। সেই মতোই ব্রিকসের পজিটিভ মোমেন্টাম ধরে রাখতে বদ্ধ পরিবকর জিনপিংয়ের দেশ। সোমবার জিনপিং প্রশাসন জানিয়েছে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নতির জন্য ভারত-সহ অন্যান্য সদস্য দেশের সঙ্গে পুরোদমে কাজ করতে চায় তারা। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন জানিয়েছেন, ভারতের আয়োজনের ব্রিকস সামিটে সমর্থন রয়েছে বেজিংয়ের।

২০২০ সালেই রক্তক্ষয়ী গালোয়ান সংঘর্ষ হয়েছিল দুই দেশের সেনার মধ্যে। সেখানে শহিদ হয়েছিলেন ভারতের ২০ জন জওয়ান। প্রথমে গালোয়ান সংঘর্ষে সেনা মৃত্যুর কথা স্বীকার না করলেও কয়েক দিন আগে নিহত সেনা ও আধিকারিকদের নাম প্রকাশ করেছে চিন। সেই আবহে ভারতে আয়োজনে এ বার ব্রিকস সামিট। সীমান্ত সংঘর্ষের কি কোনও প্রভাব পড়বে এই সামিটে? এই প্রশ্নের উত্তরে চিনা মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, “ভারত-সহ ব্রিকসের অন্য়ান্য সদস্য দেশের সঙ্গে চিন কাজ করবে ‘থ্রি-হুইল-ড্রাইভের’ মাধ্যমে। আলোটনা হবে অর্থনীতি, রাজনীতি ও মনুষ্যত্ব নিয়ে।”

কয়েক দিন আগেই ১৯ ফেব্রুয়ারি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নয়া দিল্লির সুষমা স্বরাজ ভবনে ব্রিকস ২০২১-এর ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছেন। প্রসঙ্গত, প্যাংগং থেকে ইতিমধ্যেই সেনা সরিয়েছে ভারত ও চিন। দেসপাং থেকেও সেনা সরানো নিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানা ১৬ ঘন্টার বৈঠক হয়েছে মলডো সীমানায়। যার ফলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কূটনৈতিক বৈঠকের জোরেই দুই দেশের সীমান্তে বরফ গলছে।

আরও পড়ুন: ‘বিশ্বের করোনা যুদ্ধে ভারতই সেনাপতি’, ঢালাও প্রশংসা রাষ্ট্রসঙ্ঘের