Delhi High Court: জিএসটি কমাতে হাইকোর্টের নির্দেশ! ‘এক্তিয়ার’ নিয়ে প্রশ্ন কেন্দ্রের
GST on Air Purifier: তাতে বলা হয়েছে, 'সংবিধানের ২৭৯ (ক)-এর ধারা অনুযায়ী, জিএসটি কাউন্সিল একটি স্বতন্ত্র সংস্থা। রাজ্যের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠকের মাধ্যমেই করের পরিমাণ ধার্য করে এই পরিষদ। আদালতের এমন নির্দেশ, আদতেই জিএসটি কাউন্সিলের জুতোয় পা গলানোর সমান। যা সাংবাদিক নীতিগুলিকে লঙ্ঘন করছে।'

নয়াদিল্লি: উদ্দেশ্যপ্রণোদিত জনস্বার্থ, হাইকোর্টের নির্দেশে পদক্ষেপ করতে নারাজ কেন্দ্রীয় সংস্থা। গতবছরের শেষ দিকে একটি জনস্বার্থ মামলার উপর ভিত্তি করে ‘এয়ার পিউরিফায়ারে’ চাপানো ১৮ শতাংশ জিএসটি ৫ শতাংশে নামানোর জন্য কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির হাইকোর্ট। এমনকি, যদি পদক্ষেপগ্রহণ করতে কেন্দ্র ব্য়র্থ হলে, সেই মর্মে একটি ব্যাখ্য়াও দিতে বলেছিল ডিভিশন বেঞ্চ।
নতুন বছরে হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পাল্টা উত্তর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। জিএসটি পরিষদের মতো স্বতন্ত্র সংস্থার তৈরি কর কাঠামোয় আদালতের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা নিয়েও বড় কথা বলে দিয়েছে তারা। আইনের খবর পরিবেশনকারী সংবাদমাধ্যম ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চের’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪ঠা জানুয়ারি এই মর্মে একটি হলফনামা জমা দিয়েছিল কেন্দ্র।
তাতে বলা হয়েছে, ‘সংবিধানের ২৭৯ (ক)-এর ধারা অনুযায়ী, জিএসটি কাউন্সিল একটি স্বতন্ত্র সংস্থা। রাজ্যের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠকের মাধ্যমেই করের পরিমাণ ধার্য করে এই পরিষদ। আদালতের এমন নির্দেশ, আদতেই জিএসটি কাউন্সিলের জুতোয় পা গলানোর সমান। যা সাংবিধানিক নীতিগুলিকে লঙ্ঘন করছে।’
সংশ্লিষ্ট জনস্বার্থ মামলায় এয়ার পিউরিফায়ারকে ‘মেডিক্যাল সরঞ্জামের’ আওতায় ফেলার এবং জিএসটি কমানোর জন্য আবেদন জানান হয়েছিল। কিন্তু এদিন সেই দাবিকে নস্যাৎ করেছে কেন্দ্র। পাশাপাশি মামলাটিকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলেই হলফনামায় উল্লেখ করেছে তারা। তাতে বলা হয়েছে, ‘বিলাসবহুল পণ্য থেকে মেডিক্যাল পণ্যে রূপান্তর করা হলে, বাজারে লাইসেন্স সংক্রান্ত নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে। এছাড়াও একটা একচেটিয়া ব্য়বস্থা তৈরি হতে পারে। তাই বলা যেতে পারে, এই আবেদনের নেপথ্য়ে কে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’
