ECI on TMC Hearing: ৩০ অক্টোবর মুখোমুখি বসবে মমতা-ঋতব্রত শিবির, কমিশন কি ওইদিনই বলে দেবে কে ‘আসল তৃণমূল’?
Election Commission of India: অন্যদিকে, ২০ অক্টোবরের মধ্যে লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে হবে এনসিপিআই-কেও। এর আগে ৮ অক্টোবরের মধ্যে যাবতীয় নথি জমা দিতে বলেছিল স্পিকার অফিস। এরপর দুই সপ্তাহ সময় চান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

নয়া দিল্লি: আসল তৃণমূল কংগ্রেস কার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের, তা নিয়ে কি এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন? সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ৩০ অক্টোবর তৃণমূলের যুযুধান দুইপক্ষকে শুনানির জন্য ডাকলো জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
তৃণমূলের নাম ও স্বত্ব কোন শিবিরের, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এক মাসের মধ্যে যাবতীয় নথি জমা দেওয়ার জন্য গত ২৮ সেপ্টেম্বরই নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ২৬ অক্টোবরের মধ্যে দুই শিবিরকে নথি জমা দিতে বলা হয়েছে।
এরপর আগামী ৩০ অক্টোবর তৃণমূলের দুই পক্ষকেই শুনানির জন্য ডেকেছে কমিশন। দুপুর সাড়ে তিনটেয় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে হবে শুনানি। দুই পক্ষ অর্থাৎ মমতা ও ঋতব্রত শিবিরকে একসঙ্গে শুনানিতে যোগ দিতে হবে। উল্লেখ্য, এর আগে আলাদা আলাদা ভাবে দুই পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়েছিল।
অন্যদিকে, ২০ অক্টোবরের মধ্যে লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে হবে এনসিপিআই-কেও। এর আগে ৮ অক্টোবরের মধ্যে যাবতীয় নথি জমা দিতে বলেছিল স্পিকার অফিস। এরপর দুই সপ্তাহ সময় চান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত, এনসিপিআইকেও যাবতীয় নথি জমা দেওয়ার জন্য এক মাসের সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই সময়সীমার সুযোগ নিয়েই বাড়তি সময় চেয়েছিলেন কাকলী-সুদীপরা।
অর্থাৎ চলতি মাসেই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্তরে যে ভাঙন ধরেছে এবং দল টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে, তাদের অধিকার ও ক্ষমতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।
