Subash Chandra: ২২,০০০ কোটির ঋণ নিয়ে দিতে হচ্ছে মাত্র সাড়ে ৬ কোটি! এরপর কী করবেন সুভাষ চন্দ্র?
Subash Chandra insolvency Case: এসেল গ্রুপের চেয়ারম্যান সুভাষ চন্দ্র সমালোচনার জবাব দিয়ে বলেছেন যে ২০১৯ সালে আর্থিক সঙ্কটের পর যে ৪৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৪৩ হাজার কোটি টাকা মিটিয়ে দিয়েছিল। ভিডিয়ো মেসেজে সুভাষ চন্দ্র বলেন যে সংস্থার ঋণের গ্যারান্টার ছিলেন তিনি।

নয়া দিল্লি: গোটা দেশে এখন চর্চায় সুভাষ চন্দ্র (Subash Chandra)। নেতাজি নন, ইনি এসেল গ্রুপের চেয়ারম্যান। বিপুল কোটি টাকার ঋণ মকুব করে দেওয়ার পরই তাঁকে নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। ২২ হাজার কোটি টাকার ঋণ মকুব করে দিয়েছে ন্যাশনাল ল ট্রাইবুনাল (NCLT)। মাত্র ৬.৫ কোটি টাকা দিতে হয়েছে। অর্থাৎ ৯৯.০৭ শতাংশ ঋণই মকুব করে দেওয়া হয়েছে। দেশ জুড়ে যখন এই নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে, তখন মুখ খুললেন এসেল গ্রুপের চেয়ারম্যান।
এসেল গ্রুপের (Essel Group) চেয়ারম্যান সুভাষ চন্দ্র সমালোচনার জবাব দিয়ে বলেছেন যে ২০১৯ সালে আর্থিক সঙ্কটের পর যে ৪৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৪৩ হাজার কোটি টাকা মিটিয়ে দিয়েছিল। ভিডিয়ো মেসেজে সুভাষ চন্দ্র বলেন যে সংস্থার ঋণের গ্যারান্টার ছিলেন তিনি। তারপরও ঋণের বোঝা মেটাতে তিনি নিজের পরিবারের সম্পত্তি, বাড়ি বিক্রি করেছিলেন।
এরপর কী করবেন সুভাষ চন্দ্র?
এসেল গ্রুপের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, তিনি সুইৎজারল্যান্ডে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কাজ করতে চান। পরিবারের কাছ থেকেই টাকা ধার করে স্টার্ট-আপে বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করছেন তিনি। বলেন, “আমি খুব সহজ কথা বলছি। আমি এমন একজন মানুষের কথা বলছি না, যিনি সবকিছু হারিয়ে ফেলেছেন। আমার কাছে যে শেষ ৬.৫ কোটি টাকা রয়েছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী তা দিয়েও পরিশোধ করতে হবে। আমার একটি ছোট বাড়ি রয়েছে, সেটি আমি ভাড়া দিয়েছি। সেই বাড়ি থেকে যে আয় হয়, তা দিয়েই আমি আমার খরচ চালাচ্ছি। আমার কোনও আক্ষেপ নেই। আমি আবার উপার্জন করব। আমি একজন পথপ্রদর্শক। আমি জানি কীভাবে ভালো এবং নতুন কিছু করতে হয়। আমি তা করে যেতে থাকব।”
প্রসঙ্গত, এসেল গ্রুপের চেয়ারম্যান সুভাষ চন্দ্রের সাম্রাজ্য মিডিয়া থেকে শুরু করে পরিকাঠামো, অ্যামুসমেন্ট পার্ক পর্যন্ত বিস্তৃত।
